ব্যাংকক: এলোপাথাড়ি গুলিতে চালিয়ে ২৬ জনকে হত্যা করেছে থাই সেনা আধিকারিক। এমনকি সেই ভিডিও পোস্টও করেছেন ফেসবুকে। অবশেষে সেই আততায়ীকে খুঁজে বের করে মারল থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী। রাতভর অপারেশন চালানোর পর রবিবার সকালে তাঁকে গুলি করে মারা সম্ভব হয়েছে।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উত্তর-পূর্বে নাখন রাতচাসিমা শহরে ঘটনাটি ঘটেছিল শনিবার। এক বৌদ্ধ মন্দির এবং এক শপিং সেন্টারে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ২৬ জনকে হত্যা করেছে ওই ব্যক্তি। এখনও বহু মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃতের সংখ্যাও বাড়তে পারে বেল আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোববার সকালে থাই জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী আনুতিন চারনভিরাকুল ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে শপিং সেন্টারের ভেতরে অ্যাকশন চালানোর জন্য দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

ভোররাত নাগাদ শপিং সেন্টারে হামলাকারীকে চারদিক থেকে নিরাপত্তা বাহিনী তাকে ঘিরে ফেলে বলে জানা যায়। রাতভর সেখানে থেমে থেমে গুলির আওয়াজ শোনা যায়। এদিকে শপিং সেন্টারের ভেতরে যারা আটকে পড়েছেন, বাইরে তাদের উৎকণ্ঠিত আত্মীয়রা রাতভর অপেক্ষা করেছেন।

ওই ব্যক্তির খোঁজে শপিং সেন্টারে তল্লাশি চালানোর সময় নিরাপত্তা বাহিনী শত শত মানুষকে উদ্ধার করেছে।
এদিকে স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা থেকে কর্তৃপক্ষ টার্মিনাল টোয়েন্টিওয়ান শপিং সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে। গোলাগুলিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন।

রবিবার সকাল পাঁচটার পরে নতুন করে গোলাগুলি শুরু হলে সেখানে বাড়তি ফোর্স মোতায়েন করা হয়।

জানা গিয়েছে, ওই ঘাতক অফিসার প্রথমে তার কমান্ডিং অফিসারের ওপর হামলা চালিয়ে সামরিক ক্যাম্প থেকে বন্দুক ও বিস্ফোরক চুরি করে। এরপর ওই ব্যক্তি কোরাট শহরের একটি বৌদ্ধ মন্দির এবং একটি শপিং সেন্টারে এলোপাথাড়ি গুলি চালান।

স্থানীয় মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে যে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি জিপের মতো একটি গাড়ি থেকে মুয়াং জেলার টার্মিনাল ২৬ শপিং সেন্টারের সামনে নামছেন এবং এলোপাথাড়ি গুলি চালাচ্ছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.