শ্রীনগর: ৫ অগস্ট ৩৭০ ধারা বিলোপের পর থেকে কাশ্মীর জুড়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ আটকানোর জন্য সমগ্র কাশ্মীর জুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী।

পরিস্থিতি খুটিয়ে দেখার জন্য কাশ্মীরে গিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখে এসেছিলেন অজিত দোভাল তার পরে গিয়েছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। কাশ্মীর প্রশাসনের তরফেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল নিরাপত্তার বিষয়ে। তারপরেও কাশ্মীরের সোপোরে স্থানীয় দোকানপাট বন্ধ রাখার জন্য জঙ্গি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের তরফ থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

হিজবুল মুজাহিদিনের তরফ থেকে কাশ্মীরের স্কুলগুলিকেও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে আর মেয়েদের বাইরে বেরতে এবং স্থানীয় ট্যাক্সি ড্রাইভারদের গাড়ি চালাতেও বারণ করা হয়েছে।

এছাড়াও, হিজবুল মুজাহিদিনের তরফ থেকে একটি সতর্কতা মূলক চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে কাশ্মীরে স্বাধীনতা আর নেই আর এর বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী হওয়া দরকার। আরও জানানো হয়েছে, যারা এই নির্দেশ অমান্য করে নিজের দোকান খোলা রাখবে এবং স্বাধীনতার জন্য এই লড়াইয়ের বিরুদ্ধে যাবে তাদের পায়ে নয় মাথাতে গুলি করা হবে।

লস্কর ই তইবার তরফ থেকে আরও একটা চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, যদি এই সংগঠনের আদেশ মানা না হয় তাহলে তার ফল ভোগ করার জন্য সাধারণ জনগণকে প্রস্তুত থাকতে হবে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, ‘আমাদের চুপ থাকাকে দুর্বলতা ভাবার কোন কারণ নেই। আমরা জানি কখন কিভাবে উত্তর দিতে হয়’।

এই সপ্তাহের শুরুতেই সোপোরে কিছু জঙ্গি একটি আপেল বাগানে ঢুকে সেই বাগানের মালিককে জম্মু ও কাশ্মীরের বাইরে বিক্রি করতে হুমকি দেয়।যদিও এইরকম ঘটনা আগেও ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।

সমগ্র কাশ্মীর জুড়ে কড়া নিরাপত্তার কারনে জঙ্গি সংগঠনগুলো আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে, এই সকল জঙ্গি সংগঠনগুলি অর্থনৈতিক ভাবে সমস্যার মধ্যে রয়েছে বর্তমানে এবং সংগঠনগুলির বেশীরভাগ পাকিস্তানের মদতপুষ্ট এবং মরিয়া হয়ে রয়েছে কাশ্মীরে নাশকতা ঘটানোর জন্য। কিন্তু কড়া নিরাপত্তার কারনে ব্যর্থ হয়েছে বারবার।