শ্রীনগর: সদ্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন রাজনীথ সিং৷ তার ঠিক পরেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল কাশ্মীর৷ জম্মু কাশ্মীরের ত্রালে সিআরপিএফ ক্যাম্প লক্ষ্য করে হামলা চালাল জঙ্গিরা৷

শুক্রবার বিকেলে সিআরপিএফের ১৮০ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের ক্যাম্প লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা চলে বলে খবর৷ প্রত্যুত্তর দেয় সিআরপিএফও৷ দক্ষিণ কাশ্মীরের ত্রাল এলাকার মালডোরায় শুরু হয় গুলির লড়াই৷

সিআরপিএফ সূত্রে খবর, প্রথমে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ট্রুপ লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে৷ গুলির লড়াই শুরু হয়৷ সিআরপিএফ ক্যাম্প ওই এলাকার কাছেই থাকায় রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সঙ্গে যোগ দেন সিআরপিএফ জওয়ানরা৷ তারপরেই ক্যাম্প লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়ে জঙ্গিরা৷

গোটা এলাকা পরে ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করে সিআরপিএফ৷ টহলদারি চালায় সেনাও৷ শেষ পাওয়া খবরে তল্লাশি অভিযান চলছে৷ যদিও সেনার তরফে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই৷

আরও পড়ুন : ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রধানের দায়িত্বে অ্যাডমিরাল করমবীর সিং

শুক্রবার এই নিয়ে দ্বিতীয় বার হামলা চলল সেনার ওপরে৷ সকাল থেকে কাশ্মীরে শুরু হয় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই। একাধিক জঙ্গিকে ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী। এক জঙ্গিকে খতম করা হয় বলে খবর মেলে৷

কাশ্মীরের সোপিয়ানে একাধিক হিজবুল মুজাহিদিন ও লস্কর-ই-তইবা জঙ্গিকে ঘিরে ফেলা হয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে৷ সোপিয়ানের দ্রাগাড় সুগান এলাকায় এই এনকাউন্টার শুরু হয়৷ এলাকায় মোতায়েন করা হয় সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ ও সোপিয়া পুলিশ। একটি বিল্ডিংয়ের মধ্যে দুই জঙ্গি সংগঠনের বেশ কয়েকজন সদস্য লুকিয় ছিল বলে খবর মেলে৷ রাতেই গোপন সূত্র খবর পায় বাহিনী। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় জওয়ানরা৷

কয়েকদিন আগেই আল কায়েদার শীর্ষ জঙ্গি কমান্ডার জাকির মুসাকে এনকাউন্টারে খতম করে সেনাবাহিনী৷ ভোটের ফলাফলের দিন পুলওয়ামার ত্রালে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই বাঁধে সন্ত্রাসবাদীদের৷ সেখানে মেলে সাফল্য৷ দাদসারা গ্রামে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযোগে নামে ৪৪ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের জওয়ানরা ও আধাসেনা৷ তখনই সেখানে সংঘর্ষ বাঁধে।