চন্ডীগড়: পাঠানকোটে আবারও নাশকতার ছক কষেছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই৷ এবার তাদের টার্গেট দুটি রেলস্টেশন৷ বিস্ফোরণ ঘটিয়ে রেলস্টেশন দুটি উড়িয়ে দেওয়া হবে৷ এমনই ছক আইএসআইয়ের৷ হামলার পরিকল্পনা জানার পরই ভারতীয় রেলকে সতর্ক করেছে গুপ্তচর সংস্থাগুলি৷ তারপরেই স্টেশনে জারি হাই অ্যালার্ট৷

গুপ্তচর সংস্থার খবর পেয়ে পাঠানকোট ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন ও পাঠানকোট জাংশনকে নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে৷ স্টেশনে আসা প্রত্যেকের গতিবিধির উপর নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে৷ গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় অনবরত চেকিং চলছে৷ রেল কর্মীদের সেখানে গাড়ি পার্কিংয়ে আপাতত নিষেধ করা হয়েছে৷ স্টেশন বা প্ল্যাটফর্মে সন্দেহজনক ভাবে কোনও ব্যাগ বা অন্য কিছু পড়ে থাকতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে চেকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়৷

অবস্থানের নিরিখে স্টেশনদুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ দুটি স্টেশনই একেবারে পঞ্জাব সীমান্ত লাগোয়া৷ পাঠানকোট ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনটি এয়ার ফোর্স স্টেশন থেকে মাত্র দু’কিমি দুরে৷ এই স্টেশন থেকে ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমানার দুরত্ব মাত্র ২০ কিমি৷ ২০১৬ সালে পাঠানকোটের বায়ুসেনা শিবিরে জঙ্গি হামলায় সাত জওয়ান নিহত হন৷ চার দিন ধরে চলা অপারেশনে ছয় জঙ্গিকে খতম করা হয়৷

অপরদিকে কাশ্মীরে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল ভারতীয় সেনা৷ জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় নিষ্ক্রিয় করা হল শক্তিশালি আইইডি৷ রাজৌরির জাতীয় সড়কের কাছে কাল্লার চকে এই ঘটনা ঘটে৷ আইইডি বিস্ফোরণ হলে বহু মানুষের ক্ষয়ক্ষতির আশংকা ছিল বলে জানাচ্ছে সেনা৷

ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার স্বার্থে ওই জাতীয় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে৷ তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷ চলছে নাকাবন্দী৷ সোমবার সেনার রোড ওপেনিং পার্টি জাতীয় সড়ক ১৪৪এতে টহলদারি দিচ্ছিল৷ সেখানেই রাজৌরি ও পুঞ্চ জেলার মাঝের সংযোগকারী রাস্তায় এই আইইডি উদ্ধার হয়৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।