ধৃত আল কায়েদা জঙ্গি

কলকাতা: মুর্শিদাবাদ থেকে ধৃত সন্দেহভাজন আল কায়দা জঙ্গিদের জিঞ্জাসাবাদ করে মিলেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ এই রাজ্যে একাধিক মাদ্রাসা খুলে সদস্য বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল ধৃত আল মামুন কামানের৷ এমনটাই এনআইএ সূত্রে খবর৷

এনআইএ সূত্রে খবর, ধৃত আল মামুন কামান কেরল থেকে টাকা এনে একাধিক মাদ্রাসা খোলার পরিকল্পনা করেছিল৷ এর মাধ্যমে একাধিক সদস্য সংগ্রহ করাই ছিল তার আসল উদ্দেশ্য৷ এছাড়া ধৃত সন্দেহভাজন আল কায়দা জঙ্গিদের সঙ্গে জামাত যোগের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না তদন্তকারি আধিকারিকরা৷

এর আগে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছিল, ধরা পড়ার আগে শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধের মধ্যে সন্দেহভাজন ৬ জঙ্গি নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছিল৷ বৈঠক হয়েছিল ধৃত আল মামুর এর মুর্শিদাবাদের বাড়িতে৷ প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা চলে সেই বৈঠক৷ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়ান্দারা আরও দুই সন্দেহভাজন জঙ্গির নাম জানতে পেরেছে বলেই খবর৷

যদিও বর্তমানে দু’জনই পলাতক৷ তবে ওই দুজনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)৷ গত শনিবার ভোররাতে মুর্শিদাবাদ থেকে ধৃত জঙ্গি আবু সুফিয়ানের ফোন ঘেঁটে এনআইএ তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছে, এদের ২২ সদস্যের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছিল।

যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের পুরো কথোপকথনই ছিল ডিলিটেড ফর্ম্যাটে। অর্থাত মুছে দেওয়া হয়েছিল পুরো কথোপকথনই। এছাড়া আরও একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের নাম পেয়েছে গোয়ান্দারা৷

নতুন ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের নাম ‘কিতল ফর ইসলাম৷ তবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) এর তল্লাশির আগে মুর্শিদাবাদের রানিনগরের বাসিন্দা আবু সুফিয়ান মোল্লা পালানোর ছক কষছিল৷

তদন্তকারী সংস্থা তাঁদের যে খোঁজ পেয়ে গিয়েছে সেই ইঙ্গিত পেয়ে গিয়েছিল সুফিয়ান। আর তা পেতেই পালানোর ছক কষে। যদিও এএনআইয়ের পাতা জালে ধরা পড়ে যায় সুফিয়ান। তাকে জেরা করেই আবু সুফিয়ানের বাড়িতে মিলেছে একটি সুড়ঙ্গের হদিশ।

অন্যদিকে, বেশ কিছু নম্বর উদ্ধার করেছে এনআইএ। এই সমস্ত নম্বরগুলি কাশ্মীরের বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সেগুলি বিস্তারিত খোঁজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি গত কয়েকদিনে ধৃত ছয় জঙ্গি কাদের কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছে এনআইয়ের গোয়েন্দারা।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।