মুম্বই: বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস অতি মহামারীর আকার ধারণ করেছে। এদিকে দেশে যাতে করোনা ভাইরাস না ছড়িয়ে পড়ে তার জন্য ২১ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। তবে বেশ কিছু অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা চালু রয়েছে, যেমন -ব্যাংক। কিন্তু ব্যাংক পরিষেবা চালু থাকলেও এই অবস্থায় সেখানে পৌঁছানো অনেক গ্রাহকেরই অসুবিধা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে গ্রাহকের একেবারে বাড়ির দরজায় এসে বেশ কিছু পরিষেবা দিচ্ছে স্টেট ব্যাংক। মূলত সিনিয়র সিটিজেনদের কথা মাথায় রেখে ‌ এই পরিষেবা দিচ্ছে ব্যাংক। এই সেবা স্টেট ব্যাংকের কিছু নির্দেশিত শাখা দিচ্ছে।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক স্টেট ব্যাংক একেবারে বাড়ির দরজায় কোন কোন পরিষেবা দিচ্ছে।

১) বাড়ির দোরগোড়ায় ব্যাংক পরিষেবা যেগুলি দিচ্ছে সেগুলির মধ্যে রয়েছে- টাকা তোলা ,টাকা জমা দেওয়া, চেক দেওয়া নেওয়া, চেক রিকুইজিশন স্লিপ দেওয়া, লাইফ সার্টিফিকেট নেওয়া ইত্যাদি।
২) এই ধরনের পরিষেবা নিতে গেলে যেকোনো কাজের দিন সকাল ন’টা থেকে বিকেল পাঁচটায় টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করতে হবে।
৩) একেবারে হোম ব্রাঞ্চ থেকে এই পরিষেবা পাওয়ার জন্য গ্রাহককে নথিভূক্ত করতে হবে।
৪) শুধুমাত্র পুরোপুরি কেওয়াইসি দেওয়া গ্রাহকরা এই পরিষেবা পেতে পারবেন।
৫) এজন্যে ৬০ টাকা+ জিএসটি দিতে হবে ননফিনান্সিয়াল লেনদেনের জন্য আর ১০০ টাকা+জিএসটি দিতে হবে ফিনান্সিয়াল লেনদেন করার জন্য ।
৬) প্রতিদিন সর্বাধিক ২০ হাজার টাকা তোলা অথবা জমা দেওয়া যাবে।
৭) অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের মোবাইল নম্বর ‌এক্ষেত্রে নথিভুক্ত করে রাখতে হবে এবং তাকে থাকতে হবে হোম ব্রাঞ্চের ৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে।
৮) গ্রাহক জয়েন্টলি অ্যাকাউন্ট হোল্ডার হলে এই পরিষেবা পাবে না
৯) কোন সংস্থার অ্যাকাউন্ট হলে এবং অ্যাকাউন্টহোল্ডার নাবালক হলে এই পরিষেবা পাওয়া যাবে না।
১০) টাকা তোলার অনুমতি দেওয়া হবে শুধুমাত্র তখনই যখন পাসবুকের সঙ্গে চেক অথবা উইথড্রয়াল ফর্ম থাকবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.