সিডনি : করোনা ভাইরাসের মহামারীর জেরে যে ক্ষতি চিনের হয়েছে,তার চেয়ে আরও বেশি ক্ষতির আশংকা করছেন এবার বিশেষজ্ঞরা। বলা হচ্ছে সীমান্তে আগ্রাসন বা দক্ষিণ চিন সাগরে দাদাগিরি ফলিয়ে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের শত্রু হয়েছে বেজিং। তার ফল ভোগ করতে হলে বেজিংকে বড়সড় মূল্য দিতে হতে পারে বলে আশংকা।

এর মূল কারণ অস্ট্রেলিয়ার উৎপাদিত ফসলের এক তৃতীয়াংশ যায় চিনে। সে কৃষিজাত পণ্যই হোক, বা কারখানা জাত পণ্য, চিন অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের বড় ক্রেতা। তবে সমস্যায় পড়তে চলেছে অস্ট্রেলিয়াও। তাদের উৎপাদিত পণ্য রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক শত্রুতার কারণে যদি রফতানি না করা যায়, তবে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে অস্ট্রেলিয়াকে।

অন্যদিকে চরম খাদ্য সংকটের মুখে পড়তে হবে বেজিংকেও। এদিকে, ভয়াবহ বন্যায় প্রায় বিধ্বস্ত চিন। এবারের বন্যা চিনের আগের যাবতীয় রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এবছর মে থেকেই শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি। ইয়াংসে প্রায় ৪০০ টি ছোট-বড় নদী জলে উপচে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন মাস আসতে না আসতেই একাধিক এলাকায় শুরু হয় বন্যা। অন্যদিকে এই বন্যার মধ্যেও ভারী বৃষ্টি এখনও বন্ধ হয়নি, ফলে পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে উঠতে পারে।

আপাতত পাওয়া তথ্য জানাচ্ছে প্রায় ৬ কোটি মানুষ এই বন্যার কবলে পড়েছেন। কমপক্ষে দেড় কোটি একর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ফসলের ক্ষতি শুধু এটুকু হয়নি, একদিকে যেমন বিস্তর ফসল নষ্ট হয়েছে, তেমনি, অগস্ট মাসে জমি জলার তলায় থাকায় নতুন করে চাষও সম্ভব হচ্ছে না, ফলে পরের মৌসুমেও পর্যাপ্ত শস্য মিলবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

অন্যদিকে চিনের জন্য বিপদ রয়েছে আরও। চিন মূলত আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং জাপানের মতো দেশ থেকে সর্বাধিক শস্য কেনে। এই দেশগুলির সঙ্গে গত কয়েক মাস ধরে চিনের উত্তেজনা বেড়েছে।

সেক্ষেত্রে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, আমেরিকা হয়তো চিনকে শস্য রফতানি হ্রাস করতে পারে অথবা শুল্ক বাড়িয়ে দিতে পারে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা এর জেরে হয়তো অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সুর নরম করে আলোচনার টেবিলে বসতে হতে পারে চিনকে। তবে ভাঙবে তবু মচকাবে না নীতিতে চলছে চিন।

ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়াকে তাদের হুঁশিয়ারি ৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ওয়াইন আমদানি বন্ধ করে দেবে তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।