রিষড়া: কর্মী বিক্ষোভের জেরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল রিষড়া টেক্সটাইলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে  লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। কর্মীদের থামাতে কারখানার নিরাপত্তারক্ষীদেরও রণে নামতে হয়। চালাতে হয় গুলি। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। এখনও এলাকায় উপস্থিত রয়েছে পুলিশবাহিনী।

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার রাতে। চুক্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও বেতন না বাড়ায় বিক্ষোভ শুরু করে রিষড়া টেক্সটাইলের কর্মীরা। অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই কারখানা চালাতো। বেতন বাড়ানো নিয়ে শ্রমিকদের সাথে কোনো রকম আলোচনাতেও বসতো না বলে অভিযোগ শ্রমিকদের।

সেই প্রসঙ্গ নিয়েই বৃহস্পতিবার সকালে আন্দোলন শুরু করে কর্মীরা। এদিন ম্যানেজার রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় কারখানায় ঢুকতে গেলে কর্মীরা তাঁর গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। অভিযোগ, তখন কারখানার নিরাপত্তারক্ষীরা কর্মীদের মারধোর করে। তাদেরকে লাঠি দিয়ে মারা হয়। পালটা দিতে কারখানার নিরাপত্তা কর্মীদের অফিস ভাঙচুর করে কর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থানে আসে রিষড়া ও শ্রীরামপুর থানার পুলিশ। নামানো হয় RAF।

পুলিশ আসতেই তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় কর্মীদের। সেই সময়েই নিরাপত্তা রক্ষীরা শূন্যে দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জেরও অভিযোগ এনেছে কর্মীরা। তবে কর্মীরা আবার পুলিশের বিরুদ্ধে ইট ছোড়ার অভিযোগ এনেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.