স্টাফ রিপোর্টার, বারুইপুর: কালীপুজোর আলোচনাসভাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের উপ-প্রধানের অনুগামী ও স্থানীয় ক্লাব সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিং থানার বিদ্যধরি কলোনিতে।

আহত হন উভয়পক্ষের ৪ জন মহিলা-সহ ১০ জন। পরিস্থিতি সামলাতে ঘটনাস্থলে যায় ক্যানিং থানার পুলিশ। এ বিষয়ে ক্যানিং থানায় দু’পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার তদন্তে ক্যানিং থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন: তৃণমূলের মূল ও যুবর দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত ক্যানিং

বিদ্যাধরী কলোনির স্থানীয় ক্লাব সবুজ সংঘ৷ তাদের পরিচালনায় একটি কালীপুজো হয়৷ সেই পুজো কীভাবে হবে, সেই জন্য ক্লাবের সদস্য ও গ্রামবাসীরা মিলে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে৷

সভায় উপস্থিত একাংশের দাবি, সেখানে যাতে রাজনীতির রং না লাগে সেই জন্য এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য তথা মাতলা এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রদীপ দাসকে ডাকা হয়নি। আর তা নিয়েই বিবাদ হয়৷

আরও পড়ুন: বিমা কর্মী খুনে ধৃত চার

অভিযোগ, উপ-প্রধানকে কেন ডাকা হল না যখন আলোচনা সভা শেষে ফিরছিল ক্লাবের সদস্যরা, তখন তাঁদেরকে ধরে তাঁর অনুগামীরা বেধড়ক মারধর করে৷ পালটা তাঁদেরকে মারধর করার অভিযোগ ক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে।

যদিও ক্লাব সদস্যদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে উপপ্রধান প্রদীপ দাসের অভিযোগ, ‘‘আমি বলেছিলাম সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এবছর পুজো আরও জাঁকজমক করে বড় করে করতে। তাঁরা গ্রামের অনেককে বাদ দিয়ে কয়েক জন মিলে পুজো করতে চাইছে। তাই নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল। এর সঙ্গে তার বা তাঁর অনুগামীদের নাম জড়ানোর চেষ্টা করছে।বরং তাঁদেরকে মারধর করেছে।’’

আরও পড়ুন: কালীপুজোর আগে শহরের প্রাণকেন্দ্রের বাজি বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.