নয়াদিল্লিঃ  দিল্লি-উত্তরপ্রদেশের সীমানা এলাকা গাজিয়াবাদে কৃষি আইনের প্রতিবাদে আন্দোলনরত কৃষকদের জন্য পানীয় জল এবং বিদ্যুতের ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করেছে প্রশাসন। আন্দোলনস্থল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে এলাকা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ এসেছে। যদিও আন্দোলনস্থল ছাড়তে নারাজ কৃষকরা।

কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত জানিয়েছেন, গ্রেফতার হবে কিন্তু অবস্থান সরবে না। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয়েছে কৃষকরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছেন। কোনও অশান্তি গাজিপুর বর্ডারে ঘটেনি। তবুও জোর করে আন্দোলনস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন।

তবে এই নির্দেশ ঘিরে অশান্তির কালো মেঘ জমতে তৈরি হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

অন্যদিকে, বিতর্কিত কৃষক আইনের বিরুদ্ধে সংসদের অধিবেশনে ঝড় উঠতে চলেছে বলে মত ওয়াকিবহালমহলের।  কারণ ইতিমধ্যে কৃষি আইনের বিরোধিতায় সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন অনুপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত শাসকদল তৃণমূলের। শুধু তাই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে সমর্থন জানিয়ে একই সিদ্ধান্তের পথে হাঁটল ১৬ টি বিরোধী দল।

ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বিবৃতি দিয়ে সংসদ অধিবেশন বয়কট করার কথা জানিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ গুলাম নবি আজাদ। পাশে দাঁড়িয়েছে ন্যাশনাল কনফারেন্স, শিব সেনা, ডিএমকে, সিপিএম সকলেই।

বৃহস্পতিবার বিধানসভা অধিবেশন শেষে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সংসদের প্রথম দিন অনুপস্থিত থাকবে তৃণমূল। তিনিই জানান, আরও ১৬ টি দলও একই সিদ্ধান্তের পথে হেঁটেছে বলে শুনেছেন।

উল্লেখ্য, নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির ভাষণ দিয়ে সংসদ অধিবেশনের শুরু হয়। সেই মতো এবারও ২৯ জানুয়ারি, অর্থাৎ সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনও রয়েছে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণ। কিন্তু তাতে থাকবেন না তৃণমূল সাংসদরা, থাকবেন না আরও ১৬ টি দলের জনপ্রতিনিধিরাও।

একই পথে হেঁটে সংসদের প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি ভাষণ বয়কটের কথা জানিয়েছেন আম আদমি পার্টিও। গুলাম নবি আজাদ জানিয়েছেন, বিরোধীদের মতামত না নিয়ে একক সিদ্ধান্তেই কৃষি বিল পাশ করিয়ে আইনে পরিণত করেছে কেন্দ্র সরকারপক্ষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।