মেলবোর্ন: রবিবার নবমবার খেতাব জিতে রড লেভার এরিনাকে আরও একটু আপন করে নিয়েছেন তিনি। আর খেতাব জয়ের পরেই খোদ রড লেভার নিজেই অভিনন্দন জানালেন নোভাক জকোভিচকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সার্বিয়ান তারকাকে ‘চ্যাম্পিয়ন’ আখ্যা দিলেন কিংবদন্তি রড লেভার।

রবিবার রাশিয়ার দানিল মেদভেদেভকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে দিয়ে রবিবার কেরিয়ারে ১৮তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ঝুলিতে পুরে নিয়েছেন জকোভিচ। একইসঙ্গে মেলবোর্ন পার্কে খেতাব ধরে রেখে রেকর্ড বর্ধিত করে নবমবার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছেন বিশ্বের এক নম্বর। আর মেলবোর্ন পার্কের মেন কোর্ট নামাঙ্কিত যাঁর নামে সেই রড লেভার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন বার্তায় লিখেছেন, ‘শত চাপ এবং কঠিন সময়ের মধ্যেও আরও একবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়। তুমি যে একজন কত বড় চ্যাম্পিয়ন সেটা বিশ্বকে ধারাবাহিকভাবে দেখিয়ে যাচ্ছ। তোমার মনে আজ কোনও সন্দেহ ছিল না। দানিল আজ তোমার সেরাটা অনুভব করতে পেরেছে। নয়ের উচ্ছ্বাস।’

উল্লেখযোগ্যভাবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে রবিবার নয়ে নয় করেছেন জকোভিচ। একইসঙ্গে মেজর জয়ের নিরিখে রাফায়েল নাদাল এবং রজার ফেডেরারকে ছোঁয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গিয়েছেন ‘জোকার’। পাশাপাশি অংশ নেওয়া শেষ ১০টি মেজর টুর্নামেন্টের মধ্যে ৬টি’তে খেতাব জিতে আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য র‍্যাংকিং’য়ে পয়লা নম্বর স্থানটা নিশ্চিত করেছেন সার্বিয়ান তারকা। এক্ষেত্রে আরেক কিংবদন্তি রজার ফেডেরারের নজির ভেঙে ৩১১ সপ্তাহ শীর্ষে থাকার নজির গড়তে চলেছেন ১৮টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক।

উল্লেখ্য, ২০২১ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচ চলাকালীন তলপেটের যন্ত্রণায় কাতর নোভাক জকোভিচ জানিয়েছিলেন, ‘গ্র্যান্ড স্ল্যাম না হলে তিনি সরে দাঁড়াতেন।’ সেই জকোভিচ রবিবার রড লেভার এরিনায় নবম খেতাব জিতে বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই রড লেভার এরিনাকে। প্রত্যেক বছর তোমার প্রতি আমার অনেক অনেক করে ভালবাসা বাড়ছে। আমাদের এই ভালবাসার রসায়নটা বাড়তে থাকুক। ধন্যবাদ সকলকে।’

রবিবার প্রথম সেটে লড়াই ছুঁড়ে দিলেও দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সেটে সার্বিয়ানের কাছে কার্যত আত্মসমর্পণ করেন চতুর্থ বাছাই রুশ তারকা। ফাইনালে জকোভিচের পক্ষে ম্যাচের ফল ৭-৫, ৬-২, ৬-২। মাত্র ১ ঘন্টা ৫৩ মিনিটেই ফাইনাল ম্যাচের যবনিকা টানেন জকোভিচ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.