মুম্বই: ২০ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে বসছে ফের বিশ্বকাপের আসর৷ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ওয়ান ডে বিশ্বকাপের দ্বাদশ সংস্করণ শুরু হচ্ছে ৩০ মে৷ ভরা গ্রীষ্মে বিশ্বকাপে ব্যাটিং প্যারাডাইস বাইশ গজের ভবিষ্যদ্বাণী কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরের৷

লিটল মাস্টারের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হলে বিশ্বকাপে ছড়ি ঘোরাবে ব্যাটসম্যানরাই৷ কারণ ইংল্যান্ডে ভরা গ্রীষ্মে বল সুইং করার সম্ভাবনা কম বলে মনে করেন সচিন৷ কিংবদন্তি ব্যাটসম্যানের মতে, ‘আমার মনে হয় না, আবহাওয়া মেঘাচ্ছন্ন না-হলে পরিস্থিতির বিশেষ বদল হবে বলে৷ মেঘলা হলে তবেই বল সুইং করার সম্ভাবনা থাকবে৷’

৩০ মে দ্য ওভালে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি আয়োজক ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা৷ ১০ দলের টুর্নামেন্টে রাউন্ড-রবিন লিগ পদ্ধতিতে প্রতিটি দল প্রত্যেকের সঙ্গে খেলবে৷ অর্থাৎ ১৯৯২ বিশ্বকাপের পর প্রথমবার ফের এই পদ্ধতি প্রয়োগ করছে আইসিসি৷ ভারত বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করছে ৫ জুন৷ টাইটানিকের শহর সাউদাম্পটনের রোজ বোলে বিশ্বকাপের বিরাটদের প্রথম প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা৷

দু’ বছর আগে জুনে ইংল্যান্ডে হয়েছিল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি৷ এবারও ভরা গ্রীষ্মে হচ্ছে বিশ্বকাপ৷ সুতরাং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতোই বিশ্বকাপেও ব্যাটসম্যানরা বাইশ গজে দাদাগিরি দেখাবে বলে মনে করেন লিটল মাস্টার৷ বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে এমআইজি ক্লাবে নিজের নামে প্যাভিলিয়ন উদ্বোধনে এসে সচিন বলেন, ‘ইংল্যান্ডে হট সামার৷ যখন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও যখন রোদ্দুর উঠেছিল, পিচও দারুণ ছিল৷ অর্থাৎ প্রচণ্ড গরমে পিচ ফ্ল্যাট ছিল৷ আমি নিশ্চিত বিশ্বকাপেও পিচ ব্যাটিং সহায়ক হবে৷’

আইপিএল খেলেই বিশ্বকাপ খেলতে ইংল্যান্ড উড়ে যাবে টিম ইন্ডিয়া৷ চলতি আইপিএলে দারুণ ফর্মে রয়েছেন বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল ও হার্দিক পান্ডিয়া৷ বিশ্বকাপে এই ফর্ম কাজে আসবে কিনা, প্রশ্নের উত্তরে সচিন বলেন, ‘যে কোনও ফর্ম্যাটেই ভালো পারফরম্যান্স খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়৷ যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ তবে খেলোয়াড়দের পরিবেশ ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে৷’ বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ইংল্যান্ড পৌঁছে দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বিরাটরা৷ প্রথম ম্যাচে ২৫ মে লন্ডনে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে৷ দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ২৮ মে কার্ডিফে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে৷