নয়াদিল্লি: বুধবারই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাম মন্দির তৈরির কাজের সূচনা করেছেন। তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই উসকানিমূলক মন্তব্য করে বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দিলেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাজিদ রশিদি। মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হবে বলে হুঁশিয়ারি দিলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এই নেতা।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে বুধবার। অযোধ্যায় রাম মন্দিরে ভূমি পুজোয় সামিল হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির কাজ চলছে। বুধবার অযোধ্যায় ভূমি পুজোয় সামিল হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

অনুষ্ঠানমঞ্চে উঠে তিনি বলেন, ‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট আমাকে এক মহান ইতিহাসের অংশ হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। এটা আমার সৌভাগ্য। আমাকে তো এখানে আসতে হতই। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মতোই রাম মন্দিরের জন্য কয়েক শতাব্দী ধরে অনেকে আন্দোলন করেছেন। তারই ফল পেয়েছি আমরা।’

অযোধ্যায় ভূমি পুজোর পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাজিদ রশিদির বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাম মন্দির ভেঙে বাবরি মসজিদ তৈরি হয়নি বলে দাবি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এই নেতার।

মুসলিমদের এই নেতা আরও বলেন, ‘মসজিদ সবসময় মসজিদই থাকে। এটাকে ভেঙে অন্য কিছু তৈরি করা যায় না। আমরা বিশ্বাস করি যে ওখানে সবসময় মসজিদই থাকবে। মন্দির ভেঙে মসজিদ আজ পর্যন্ত তৈরি হয়নি। কিন্তু, এবার হয়তো মসজিদ তৈরির জন্য মন্দির ভাঙা হবে।’

বুধবার রাম মন্দিরের ভূমি পূজো প্রসঙ্গে একইভাবে সরব হন এআইএমআইএম নেতা আসাদুদ্দিন ওয়েসিও। তাঁর মতে, ‘বাবরি মসজিদ ছিল, আছে, থাকবে। অযোধ্যার ইতিহাসে যতই রাম মন্দিরকে গুরুত্ব দেওয়া হোক না কেন, সেই ইতিহাসেই বাবরি মসজিদের ভূমিকা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।’

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা