বেঙ্গালুরু: এক ব্যক্তি তৈরি করেছেন যমরাজের মন্দির। আর এই ঘটনা ঘটেছে এই দেশেই। কর্ণাটকের মাইসোরের মান্ড্য জেলায় কৃষ্ণরাজা সাগর ড্যামের কাছে একটি গ্রামে তৈরি করা হচ্ছে স্বয়ং যমের মন্দির।

যিনি এই মন্দির তৈরি করেছেন তাঁর নাম কেএন রাজু। ৪৯ বছরের রাজু পেশায় একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। তিনি একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, “কর্ণাটকে কোনও যমরাজের মন্দির নেই, সেটা আমি জানি। আর তাই ৪ লাখ টাকা খরচ করে একটি মন্দির বানাতে উদ্যোগ নিই।” পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, এর জন্য তিনি কারোর কাছ থেকে অনুমতি নেননি। কারণ তিনি নিজের জমিতেই সেই মন্দির তৈরি করেছেন। রাজু জানিয়েছেন, তাঁর মৃত্যুর পর এই মন্দিরের মালিকানা চলে যাবে কর্ণাটক এনডউমেন্ট ডিপার্টমেন্টের অধীনে।

মন্দির সম্পূর্ন রূপে এখনও তৈরি হয়নি। এই মন্দির তৈরির পর পাঁচ ফুটের যম দেবতার মূর্তিও প্রতিষ্ঠা করা হবে মন্দিরের গর্ভগৃহে। পুরাণ থেকে পাওয়া ধারণা অনুযায়ী মহিষের পিঠে সওয়ার থাকবেন মৃত্যুর দেবতা। ১২x১২ ফুটের গর্ভগৃহে জায়গা হবে রাখা হবে যম দেবতার ওই মূর্তি।

মন্দির নির্মাতা কেএন রাজু-র স্ত্রী ও দুই ছেলে অবশ্য এই যম দেবতার মন্দির নির্মাণে একেবারেই খুশি না। জানা গিয়েছে, এরপরে রাজু তৈরি করতে চলেছেন স্বয়ং ব্রহ্মার মন্দির। তবে শুধু যমের মন্দির না, এর আগে তিনি তৈরি করেছেন নাগদেবতার মন্দির, সাই বাবার মন্দির ও শনি দেবতার মন্দিরও।

কর্ণাটকে এই প্রথম তৈরি হল যমরাজের মন্দির। হিমাচলে রয়েছে আর একটি যম মন্দির। সেই মন্দির সম্পর্কে অনেক কথাই কথিত আছে। অনেকে বলেন, অতীতে এই হিমাচলের মন্দিরে যারা ঢোকার চেষ্টা করেছেন৷ তারা কেউই সেখান থেকে বেঁচে ফিরতে পারেনি৷ স্থানীয় বাসিন্দারা বিশ্বাস করেন, এই মন্দিরের ভিতরে একবার প্রবেশ করলে সেই ব্যক্তির আত্মা ওই মন্দিরের ভিতরেই আটকে যায়৷ যদিও এই বিষয়ের কোনও সত্যতা পাওয়া যায়নি৷