দিল্লি: মন্দিরে গেলেই পুণ্যলাভ হয় এটা আমরা সকলেই জানি। তাই তো ভারতের ধার্মিক ব্যক্তিরা জীবনে একবার হলেও দেব দর্শনে যেতে চান যাতে তাদের স্বর্গলাভ বা পুণ্যলাভ হয় এই জন্মেই। ভারত জুড়ে যে অসংখ্য মন্দির রয়েছে তার প্রতিটিতেই রয়েছে কোনো না কোনো রহস্য। সেই রহস্যের পেছনে কী কারণ রয়েছে এবং লোকমুখে শোনা কথাগুলি কতটা সত্যি সেগুলি নিয়ে বারবার কাটাছেঁড়া করেছেন ঐতিহাসিকরা ও গবেষকরা। এই রহস্য-রোমাঞ্চই সেই মন্দিরগুলির প্রাণ যার আকর্ষণে বারবার সেখানে দর্শনে যান ভক্তরা।

ভারতবর্ষে এমন একটি মন্দির রয়েছে যেখানে এক রাত কাটানোর পরই নারীরা হয়ে পড়েন গর্ভবতী। এটাকে তারা ঈশ্বরের আশীর্বাদ হিসেবে মনে করেন। হিমাচল প্রদেশের সিমসা মাতার মন্দির এমনই অদ্ভুত ক্ষমতার অধিকারী বলে আজও প্রচলিত। নিঃসন্তান মহিলাদের কাছে তাই এই মন্দির যেন স্বয়ং ভগবানের রূপ। নবরাত্রির সময়ে এখানে ঢল নামে পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়ের নিঃসন্তান মহিলাদের। তবে এই রহস্য কতটা কতটা সত্যি?

নবরাত্রির সময় এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে এক বিশেষ উত্সব পালন করা হয় যার নাম হলো “সলিন্দরা”। এর অর্থ “স্বপ্ন পাওয়া”। সেই সময় মহিলারা দিনরাত এক করে মন্দির চত্বরে শুয়ে থাকেন। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস দু-এক রাত্রি দেবীর আরাধনা করলেই সেই মহিলাদের স্বপ্নের মাধ্যমে আশীর্বাদ করেন দেবী সিমসা মাতা। তাদের বিশ্বাস এভাবেই দেবীর আশীর্বাদ হিসেবে তাদের কোল আলো করে আসবে সন্তান।

আরো পড়ুন- অবসাদ কাটিয়ে উঠেছেন…জানান দেবে এই লক্ষণ

দেবীর সেই সংকেতে সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে তাও নাকি জেনে ফেলা সম্ভব বলে দাবি ভক্তদের। কোনও মহিলা যদি স্বপ্নে “আম” দেখেন তাহলে তার পুত্র সন্তান হবে। কেউ আবার স্বপ্নে ঢ্যাঁড়শ দেখলে তিনি কন্যাসন্তানের জননী হবেন। আবার সবসময়েই যে মহিলা গর্ভবতীই হবেন তারও কোনো স্থিরতা নেই। অনেক সময়ে স্বপ্নে কাঠ বা পাথর দেখলে সেই মহিলাকে সারাজীবন নিঃসন্তান থাকতে হবে। নিঃসন্তানের স্বপ্ন দেখার পরেও মন্দির থেকে মহিলা না সরলে তার শরীরে লাল লাল দাগ হয়ে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।