স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে পারদ। তবু ‘স্টেপ জাম্প’ করেনি আবহাওয়া। বাতাসে স্পষ্ট বসন্ত ঋতু। গরম কাল চলে এল এমন বলারও কোনও কারণ নেই। এমনটাই বলছেন আবহাওয়াবিদরা। তার চেয়ে বলা ভালো হাওয়া পরিবর্তন হচ্ছে।

শুক্রবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বৃহস্পতিবারের তুলনায় আরও এক ডিগ্রি বেড়েছিল। শনিবার লাফিয়ে দুই ডিগ্রি বাড়ল কলকাতার তাপমাত্রা। আজ শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে এখনও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে কালকেই ঠেকেছে ২৯-এর ঘরে। তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি।

আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬ সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ। শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা দুই ডিগ্রি কম ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বৃহস্পতিবারেই স্বাভাবিকে পৌঁছে গিয়েছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক।

তবে তপমাত্রা বাড়লেও বেশি রাতে এবং ভোরের দিকে গায়ে চাপা দিতে হচ্ছে। কারণ আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, প্রথমত আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন অনেকটাই কম। পাশাপাশি বাতাসে এখনও উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব স্পষ্ট এবং আকাশ পরিস্কার। ফলে তাপমাত্রা বাড়লেও গা শিরশিরানি শীত রয়েছে। তবে বাতাস স্পষ্ট বসন্ত এটা বলা যেতেই পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।