ফাইল ছবি

হায়দরাবাদঃ  তরুণী চিকিত্সককে ধর্ষণ করে খুনে অভিযুক্তদের এনকাউন্টার নিয়ে মুখ খোলায় তেলেঙ্গনার টিআরএস বিধায়ক জি সুনিথার ভিডিও ভাইরাল৷ এনকাউন্টারের পর নিহতদের বাবা-মা স্বভাবতই চরম শোকে ভেঙে পড়েন বলে ভিডিওয় বলতে শোনা যায় টিআরএস বিধায়ককে। সম্প্রতি সেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে৷

বিধায়ক বলেছেন, ‘পুলিশি এনকাউন্টারে নিহত হওয়ার খবর শুনে অভিযুক্ত চারজনের বাবা-মা নিশ্চয়ই প্রচণ্ড কষ্ট পেয়েছিলেন৷’ বিধায়ক জি সুনিথা আরও বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পরেও পুলিশ তড়িঘড়ি সেখানে যেতে পারেনি৷ পুলিশের ঘটনাস্থলে পৌঁছতে তিন বা পাঁচ মিনিট সময় লাগতেই পারে৷ কিন্তু এই তিন বা পাঁচ মিনিটে কত বড় ক্ষতি হতে পারে তা দেখা গেল৷ তরুণীর সঙ্গে যা ঘটল তা দেখে অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছি৷’

একই সঙ্গে চার যুবকের এনকাউন্টারে নিহত হওয়ার ঘটনাকেও বেদনাদায়ক বলে মনে করেন ওই টিআরএস বিধায়ক৷ তাঁর মতে, ‘এই চারজনকে খুন করা হয়েছে। এটিও বেদনাদায়ক একটি ঘটনা৷ ওই চারজনের বাবা-মা কতটা বেদনা অনুভব করবেন তা কল্পনা করুন,’ ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় বলতে শোনা যায় সুনিথাকে৷

প্রতীকী

হায়দরাবাদের সামশাবাদে তরুণী চিকিত্সককে ধর্ষণ করে খুন করে চার যুবক৷ তদন্তে নেমে অভিযুক্ত চারজনকেই গ্রেফতার করে পুলিশ৷ গ্রেফতারের কয়েকদিন পরে ঘটনার পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করে পুলিশ৷ ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় খুনে অভিযুক্ত চারজনকে৷ পুলিশের দাবি, সেই সময়ই পালাতে যায় অভিযুক্তরা৷ পুলিশের উপর হামলা চালায় চার যুবক৷ পুলিশকে লক্ষ করে ইট ছোড়ে অভিযুক্তরা৷ অভিযুক্তদের হামলায় জখম হন দুই পুলিশকর্মীও৷ আত্মরক্ষার্থে বাধ্য হয়েই পুলিশকে গুলি চালাতে হয় বলে দাবি৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও