হায়দরাবাদ: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্যে স্বস্তির খবর শোনাল তেলেঙ্গানা সরকার। করোনা সংক্রমণের জেরে আর্থিক কোষাগার শূন্য। আর সেই কারণে সে রাজ্যের সরকারী কর্মচারী এবংপেনশনভোগীদের বেতনের একটা অংশ কেটে নেওয়া হচ্ছিল। পুরো বেতন দেওয়া হচ্ছিল না। অবশেষে স্বস্তির খবর।

সে রাজ্যে এখনও ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি। এই পরিস্থতিতে সরকারী কর্মচারীদোর জন্য সুখবর দিলেন কে.চন্দ্রশেখর রাও সরকার। চলতি জুন মাস থেকেই সরকারী কর্মী এবং পেনশনভোগীরা সম্পূর্ণ বেতন পাবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একটা বৃহৎ অংশের বেতনের যে একটা অংশ কেটে নেওয়া হচ্ছিল তাও ধীরে ধীরে মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এই কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী রাও। মারণ করোনার জেরে ভেঙে গিয়েছে অর্থনীতির কোমর। গোটা বিশ্বেই ছবিটা একই। দেশেও তার প্রভাব পড়েছে। ব্যাতিক্রম নয় তেলেঙ্গানাও। আর

এই অবস্থায় সরকারী কোষাগারে অর্থের ঘাটতি মেটাতে প্রায় তিনমাস ধরে তেলেঙ্গানার সরকারী কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের বেতন থেকে অর্ধেক বেতন কেটে নেওয়া হয়েছিল। আর এই বেতন কাটা হয়েছিল কর্মচারীদের পদমর্যাদার ভিত্তিতে। সে ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন কেটে নেওয়া হয়েছিল।

তবে বর্তমানে দেশের অন্যান্য রাজ্যের মত তেলেঙ্গানার পরিস্থিতিও ক্রমশ স্বাভাবিক হওয়ার পথে। ফলে এবার থেকে সরকারী কর্মীদের এবং পেনশনভোগীদের পুরো বেতন দেওয়ার কথা ঘোষনা করেছে কে.চন্দ্রশেখর সরকার। আর সরকারের এমন সিদ্ধান্তে খুশি সেই রাজ্যের সরকারী কর্মচারীরাও। শুধু সরকারি কর্মচারীদেরই বেতন কাঁটা হয়েছিল এমনটা নয়। সে রাজ্যের বিধায়কদেরও কাঁটা হয়েছিল বেতন।

সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল করোনার কারণে পুরো বেতন দেওয়া সম্ভব নয়। যদিও এদিন রাজ্য সরকারি কর্মীদের সম্পূর্ণ বেতন মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়েই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধায়কদের বেতন নিয়ে তেমন কিছু দেননি।

প্রসঙ্গত, তেলেঙ্গানায় এখনও পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮,৬৭৪জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ৪০০৫ জন এবং গত চব্বিশ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ২১৭জন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ