হায়দরাবাদ: ভোট বড় বালাই৷ সেই ভোট পেতে কিনা করতে হয় রাজনৈতিক দলগুলিকে৷ বিরোধী প্রার্থীদের প্রতি কাদা ছোঁড়াছুড়ি, বিতর্কিত মন্তব্য করে ভোটের বাজার গরম করা আর ভোটারদের মন জয়ের জন্য গালভরা প্রতিশ্রুতি- এসবই ভোটের আগের চেনা দৃশ্য৷ কিন্তু সব কিছুকে ছাপিয়ে গেলেন তেলেঙ্গানার প্রার্থীরা৷ ভোট চাইতে তাঁরা যা করলেন তা জানলে তাজ্জব হতে হয় বৈকি৷

আগামী ৭ ডিসেম্বর তেলেঙ্গানার বিধানসভা নির্বাচন৷ হাতে বেশি সময় নেই৷ ভোটের প্রচারে মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন প্রার্থীরা৷ দরজায় দরজায় ঘুরে ভোট চাইছেন৷ এই ভোট চাইতে বেরিয়ে অভিনব সব কাণ্ড ঘটাচ্ছেন তাঁরা৷ প্রেমিকাকে প্রমোজ করার ঢঙে ভোটারদের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে ভোট ভিক্ষা করা থেকে রাস্তায় চায়ের দোকানে ঢুকে চা তৈরি করা সবই করছেন তারা৷ সবই শুধুমাত্র ভোটারদের মন জয় করতে৷

এসব দেখে অন্যান্য দলের প্রার্থীরা কি চুপ করে বসে থাকবেন আর মজা নেবেন? মোটেই না৷ তাদের দেখাদেখি বাকিরাও একই কায়দায় প্রচারে নেমে পড়েছেন৷ এককদম এগিয়ে কেউ কেউ ভোটারদের হেঁশেলে, বাথরুমে পর্যন্ত ঢুকে পড়ছেন৷ বাডির সদস্যদের জন্য রান্না করে দিচ্ছেন, কচিকাঁচাদের স্নান করিয়ে স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি করে দিচ্ছেন৷ এই ধরনের মজাদার ও বিচিত্র সব কাজকর্ম করে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা৷ এক সর্বভারতীয় মিডিয়ায় প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, একজন প্রার্থী সেলুনে ঢুকে নাপিত ‘সেজে’ ক্লায়েন্টের চুল দাড়ি কামিয়ে দিচ্ছেন৷ নিন্দুকের মতে, সবই ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য৷

তেলেগু দেশম পার্টির নেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন স্পিকার এস মধুসূদন হলেন পথপ্রদর্শক৷ নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের একটি সেলুনে ঢুকে তিনিই হাতে কাঁচি, চিরুনি তুলে নেন৷ ব্যস আর কি৷ সেই ছবি ভাইরাল হতেই তাঁর দেখাদেখি কংগ্রেস, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি, বাম প্রার্থীরা ওই একই কায়দায় প্রচার করতে ময়দানে নেমে পড়েন৷ তেলেঙ্গানা ইয়ুথ কংগ্রেসের সভাপতি অনিল কুমার যাদব হায়দরাবাদের মুশিরাবাদে ধোসা, ইডলি বিক্রি করা শুরু করেন৷ কেউ কেউ জামা কাপড় ইস্ত্রি করার কাজ করেন৷ এছাড়া বয়স্ক মানুষদের পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নেওয়ার দৃশ্য তো আকছাড় দেখা গিয়েছে৷ এখন দেখার এই জনসেবার কী ফল পেতে চলেছেন প্রার্থীরা৷

বাজি তৈরির সময় বিস্ফোরণে জখম হয় এক ব্যক্তি৷ মঙ্গলবার রাতে উলুবেড়িয়ার বাজারপাড়া এলাকায় ঘটনা ঘটেছে৷ নাম প্রবীর মারিক৷ বয়স ৫২৷ উলুবেরিয়ে মহসুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়৷ রাত ৮টায় হয়৷ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে এলাকায়৷ হাওড়ার আমতার বাসিন্দা৷ বাজি তৈরির সময় আগুন লেগে বিস্ফোরণ হয়৷

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা