কলকাতা:  নবান্নে যাওয়া বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ঠেকাতে জল কামান ব্যবহার করেছে পুলিশ-প্রশাসন। কিন্তু ওই জল কামান থেকে নীল রঙয়ের জল ছেটানো হয় বিজেপি কর্মীদের উপর। মূলত যাতে বিক্ষোভকারীদের সহজেই চেনা যায় সেই কারণেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পুলিশের তরফে।

কিন্তু বিজেপির দাবি, ওটা আসলে শুধু রঙ নয়। জলের মধ্যে দিয়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর আসলে রাসায়নিক ছিটিয়েছে পুলিশ। যা গায়ে লাগার পরে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

বিজেপি দাবি, রঙ নয়, আসলে রাসায়নিক। আর সেটাই বিজেপি কর্মীদের উপর ছেটানো হয়েছে। আর সেই রঙ গায়ে লেগে বহু নেতা-কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি। এমনকি বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা গুরুতর বলে দাবি বিজেপির।

যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য বলেন,”নীল তরল ছোড়া হয়েছিল। বিক্ষোভে ঠান্ডা বা গরম জল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এভাবে রাসায়নিক কোথাও ব্যবহার করা হয় না।”

তাঁর দাবি, এই রং গোটা শরীরকে জ্বালিয়ে দিচ্ছিল। বমিও হচ্ছিল কর্মীদের। যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য জানান, তদন্ত চেয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দেবেন তিনি। আসলে ঠিক কি ব্যবহার হয়েছিল তা সত্য জানার দরকার। আর সেই কারণেই কেন্দ্রের সরকারকে এই বিষয়ে চিঠি দেওয়ার হুঁশিয়ারি।

যদিও এরপরই সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, এদিন জলকামান থেকে যে রঙীন জল ছোড়া হয়েছে তাতে মেশানো ছিল সাধারণ হোলির রং। বিক্ষোভ শেষের পর কোনও কারণে বিক্ষোভকারীদের চিহ্নিত করতে হলে রঙীন জল গোটা বিশ্বে ব্যবহার করা হয়। তাতে অন্য কোনও রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি।

বিজেপির নবান্ন অভিযান রুখতে রাজ্য পুলিশের এই তৎপরতার কড়া সমালোচনায় বিজেপি যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য। ‘‘বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে কালো দিন। গণতন্ত্রকে খুন করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দেশের কোথাও বাংলার মতো দুর্নীতিবাজ সরকার আর নেই।’’ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই বললেন বিজেপির এই যুবনেতা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I