স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেডে এসে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন লালুপুত্র তেজস্বী যাদব৷ মমতা-তেজস্বীর সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে৷

রবিবার কলকাতায় আসছেন তেজস্বী। সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তেজস্বী। পাশাপাশি বামেদের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে তাঁর। বিহারে আরজেডি এবং বামেরা জোটে লড়াই করে ভাল ফল পেয়েছিল। সেকথা মাথায় রেখে তেজস্বীর মতো তরুণ মুখকে ব্রিগেড সমাবেশে এনে দলকে আরও চাঙ্গা করার পরিকল্পনা করেছিলেন বাম নেতারা। সেইমতো তাঁকে আমন্ত্রণও পাঠানো হয়েছিল। দলীয় সূত্রে খবর, জামুরিয়া বিধানসভার জেতা আসনটি আরজেডি-কে ছেড়ে দিতে প্রস্তুত সিপিএম। এছাড়াও আলিমুদ্দিনের সূত্রে খবর, আরজেডি-কে এন্টালি, জোড়াসাঁকো, কুলটি আসনগুলি ছাড়া হতে পারে। এদিকে সূত্রের খবর, বিজেপিকে চাপে রাখতে তেজস্বীর সঙ্গে বসে রণকৌশল স্থির করতে চান মমতা৷

উল্লেখ্য, দু’বছর আগে অর্থাৎ লোকসভা ভোটের সময় এই  ব্রিগেড থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে বিজেপিকে আক্রমণ করেছিলেন লালুপুত্র৷  একাধিক প্রবীণ নেতার মাঝে তাঁর ঝাঁঝালো বক্তব্য মন জয় করেছিল। তবে এবারের মমতা বিরোধী মঞ্চে তাঁর গলায় কী সুর শোনা যেতে পারে, তা এখন‌ সেটাই আলোচনার বিষয়।

গোটা বিহার বিধাসভা নির্বাচনের মেয়াদে তেজস্বীর করিশ্মা অনেক সময়ে পিছন ফেলে দিয়েছে মোদি-নীতিশের ইমেজকেও। একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে আরজেডি। অল্পের জন্য যদিও গদি দখল হয়নি, তবে শক্তিশালী বিরোধী হিসেবে তেজস্বী নিজের হাতেই দলকে প্রতিষ্ঠা দিয়েছেন। তনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের জন্য তাঁকে ফোন করে শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, গত মাসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে এইমস–এ ভর্তি হন লালু। তখনও টুইটারে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মমতা। এ হেন সৌজন্যের পর বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মমতার বিরুদ্ধে তেজস্বীর আক্রমণ কতটা জোরাল হবে, তা নিয়েও ধন্দে জোট শিবির।

ব্রিগেড নিয়ে এবার বামেদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা রয়েছে৷ জেন ওয়াইকে মাঠমুখী করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এসেছে টুম্পাগানের প্যারোডি। অন্য দিকে দলের বর্ষীয়ান নেতারা বলছেন, হাল ফেরাও লাল ফেরাও। সবমিলিয়ে এবার তারা কতটা চমক দিতে পারে সেটাই দেখার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.