স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: তিস্তা নদীর ধারে রাস্তার কাজ করার জন্য বার বার চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে জলপাইগুড়ি পুরসভার তিন নম্বর এলাকায় বাসিন্দাদের৷ তাই বাঁধের কাজ করতে আসা গাড়িগুলিকে আটকে পথ অবরোধ করে এলাকাবাসী৷

বৃষ্টি হলেই বাঁধের মাটি ধসে যায়৷ আর সেই মাটি তাদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে। ঘরের ভিতরে জল ঢুকে যায়৷ এর ফলে ওই এলাকার বাসিন্দারা নাজেহাল পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। ঘরের ভিতরে নোংরা হয়ে চারিদিকে কাদা হয়ে যায়৷ চলাচল করতে পাচ্ছেন না তারা বলে অভিযোগ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিষয়টি বার বার সেচ দফতরকে জানিয়ে কোন সুরাহা হয়নি৷ মাটি পরিষ্কার করলেও আবার বৃষ্টি পড়লে আগের পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়। তাই বাঁধের কাজ করতে আসা গাড়িগুলিকে আটকে পথ অবরোধ করে এলাকার বাসিন্দারা। তারা চায় খুব তাড়াতাড়ি এর সমাধান করতে হবে। ‘‘তিন নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাবেরী সরকার বলেন, বার বার সেচ দফতরে বলেছি কিন্তু কোন সুরাহা হচ্ছে না। আবার সোমবার সেই দফতরে যাব৷’’

প্রসঙ্গত, পাহাড়পুর জিপির বালাপাড়া এলাকায় সেচ দফতরের পক্ষ থেকে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে একটি কংক্রিটের পাকা রাস্তা তৈরি করে দেওয়া হয়৷ যার জেরে নিকাশি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে৷ ড্রেনে ময়লা জমে জল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়৷ সোমবার রাতে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা৷ ঘরবন্দি হয়ে পড়ে প্রায় শতাধিক গ্রামবাসী৷

এর আগেও একইভাবে জল জমে যেত৷ রাস্তা ডুবে যেত৷ এমনকি ঘর ও রান্নাঘরে জল জমে যেত৷ ফলে রান্না করতে অসুবিধা হয়৷ এরপরই গ্রামবাসীরা সিদ্ধান্ত নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতকে বিষয়টি জানায়৷ গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে সেচ দফতরে বিষয়টি জানায়৷ তারপরই সেখান থেকে তড়িঘড়ি করে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কংক্রিটের রাস্তা তৈরি করে দেয়৷ সেচ দফতরের ফের একই গাফিলতিতে জলের জমার সমস্যা দেখা দিয়েছে৷