ওয়াশিংটন: আমাদের সমাজে এক বিশেষ প্রথা আছে কুমারী পুজো। নানা গোষ্ঠীর মানুষ নানাভাবে ও নানা সময়ে এই পুজো করে থাকে। কিন্তু ভাবতে পারেন এক কুমারীকে বলিও দেওয়া হয়েছে? সেই নৃশংসতার কাহিনী জানলে অবাক হবেন আপনারা। এই মমিটি এক প্রাচীন সভ্যতার নিষ্ঠুরতার প্রমাণ। সেই সময়ে দেবতাকে তুষ্ট করতে তারা নানা রীতির প্রয়োগ করতো। এর মধ্যে একটি ছিল কিশোর বা কিশোরীদের বলি দেওয়া।

তবে তাকে যে বলি দেওয়া হবে সেটা তার পরিবার আগেই জানতো। কিন্তু মৃত্যুর বেশ কিছু মাস আগে থেকে সে থাকতো আলাদা। শরীরে একটু একটু করে বিষ ঢুকিয়ে হত্যা করা হত তাকে। এভাবেই তারা নাকি সেই মেয়েটিকেও উৎসর্গ করেছিল দেবতাদের উদ্দেশ্যে।

তবে এই উৎসর্গ করা হতো কোনো বিশেষ বড়ো অনুষ্ঠানের আগে। রাজ পরিবারে সন্তান এলে, যুদ্ধ জয়ের পর দেবতার আশীর্বাদ নিতে বা রাজার সিংহাসনে আরোহনের কালে এই প্রথা মানা হতো। এর বিশেষ নাম ছিল কাপাকোচা উৎসব। প্রাচীন ইনকা সভ্যতায় এই রীতির চল ছিল। সেই মেয়েটি ছিল সেই সভ্যতাতেই আন্দিজ পর্বতমালার পাদদেশে বসবাসকারী এক কিশোরী। তার মৃতদেহের সঙ্গে আরো দুটি দেহ ও প্রচুর আসবাব পাওয়া গিয়েছে। তার পোশাক ছিল খুবই অভিজাত ও দামি। আজ থেকে কমপক্ষে ৫০০ বছর পূর্বে তার মৃত্যু হয়েছিল। “দ্য ইনকা লেডি” নামক ওই মমিটি খুবই জনপ্রিয়।

প্রাচীন সভ্যতাটিতে নৃশংস বলি হতো শিশুদের! কেন….

বিভিন্ন ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানা যায় যে তার বয়স ছিলো ১২ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। এই উৎসবে যে মেয়েকে বেছে নেওয়া হতো তাকে দেবীর মর্যাদা দেওয়া হতো। তবে সেই মেয়েটির গায়ে কোনো দাগ থাকতো না অর্থাৎ তাকে “স্যাক্রেড লেডি” হিসেবে ধরে নেওয়া হতো।

পুরোহিতের তত্ত্বাবধানে থাকতো ওই মেয়েটি। দামি পোষাক পরে মাথায় সুগন্ধি দিয়ে স্নান করতো। তবে সেই শেষদিনের আগে তার খাবারে একটু একটু করে অ্যালকোহল আর নেশাজাতীয় দ্রব্য মেশানো হতো। মৃত্যুর প্রায় ২১ মাস আগে থেকে ইনকা লেডির খাদ্যে ওই নেশার পরিমাণ বেড়েছে। সারাক্ষণ নেশাগ্রস্থ হয়ে থাকতে থাকতে গিটার মধ্যে বাস্তবজ্ঞান লোপ পেতো। হ্যালুসিনেশন থেকে সে বুঝতেই পারতো না তার সঙ্গে কী হচ্ছে। শেষদিনে তাকে মহা ধুমধাম করে পাহাড়ের মাথায় আঘাত করা হতো। এভাবেই প্রকৃতির কোলে হারাতে হারাতে সে পরিণত হয়েছে মমিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।