মুম্বই: দেশে ৮ দিন, বিদেশে ১০ দিন। ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (World Test Championship Final) ফাইনালে উইলিয়ামসনদের সামলানোর আগে ১৮ দিনের কোয়ারেন্টাইন সামলাতে হবে ভারতীয় দলকে। এর মধ্যে দেশের মাটিতে ৮ দিনের কোয়ারেন্টাইন কঠোর হতে হতে চলেছে বিরাটদের জন্য। দেশের মাটিতে হোম কোয়ারেন্টাইনের জন্য আগামী ২৫ মে জৈব বলয়ে প্রবেশ করে যাবে স্কোয়াড। এরপর আগামী ২ জুন যুক্তরাজ্যের (United Kingdom) উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবে দল।

তবে সেদেশে গিয়ে কোহলিদের ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইন কিছুটা হালকা হতে চলেছে। কারণ, কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন সেদেশে ভারতীয় ক্রিকেটারদের অনুশীলনে কোনও বাধা থাকবে না। এক বিসিসিআই (BCCI) আধিকারিক সংবাদসংস্থা এএনআই’কে (ANI) এমনটাই জানিয়েছেন। ওই বিসিসিআই আধিকারিক সংবাদসংস্থাকে উদ্ধৃতি করে বলেছেন, ‘মনে করা হচ্ছে আগামী ২৫ মে জৈব বলয়ে প্রবেশ করে যাবেন ক্রিকেটাররা। ৮ দিনের এই কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ডে কেবল কোভিড পরীক্ষা করাই নয়, ক্রিকেটারদের চলাফেরার উপরেও রাশ টানা হবে।’

ওই আধিকারিক আরও বলেন, ‘২ জুন যুক্তরাজ্যে পৌঁছনোর পর আরও ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইন বরাদ্দ হবে ছেলেদের জন্য। তবে এই সময় ক্রিকেটাররা পুরোদমে অনুশীলন করতে পারবেন। চার্টার বিমানে করে জৈব নিরাপত্তা বেষ্টনীতেই ভারত থেকে ইংল্যান্ডে পৌঁছবেন তারা। অনুশীলনে অনুমতি মিললেও নিয়ম মেনে পরীক্ষা জারি থাকবে এবং ক্রিকেটারদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।’ কিন্তু একটা প্রশ্ন এখানে উঠতে বাধ্য। সেটা হল ১৮-২২ জুন ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পর এক মাসেরও বেশি সময় বাদে অর্থাৎ, ৪ অগাস্ট থেকে শুরু ভারত-ইংল্যান্ড প্রথম টেস্ট। এই সময়কালে ওদেশে পরিবার ছাড়া কীভাবে কাটাবেন ক্রিকেটাররা?

বোর্ডের ওই আধিকারিক বলছেন, সেই কারণে ক্রিকেটারদের পরিবারকে তাঁদের সঙ্গে সেদেশে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করা হবে। কারণ একমাসের বেশি বিরতিতেও ক্রিকেটারদের বাইরে বেড়ানোর কোনও সুযোগ নেই। ভারত-নিউজিল্যান্ড ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের রিজার্ভ-ডে ২৩ জুন। এরপর প্রায় দেড়মাসের বিরতি। ফের ৪ জুন নটিংহ্যাম ট্রেন্ট ব্রিজে (Trent Bridge) প্রথম টেস্টের মধ্যে দিয়ে রুটদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করবে কোহলি অ্যান্ড কোম্পানি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.