রাজকোট: পিচে বড় রানের হদিশ ছিল৷ ইনিংসের শুরুটাও মন্দ হয়নি৷ তা সত্ত্বেও মাঝের ওভারগুলোয় পর পর কয়েকটা উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টাইগাররা৷ শেষমেশ লিটন, নঈম, সৌম্য ও মাহমুদুল্লাহর মিলিত প্রচেষ্টায় টিম ইন্ডিয়ার সামনে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট ঝুলিয়ে দেয় বাংলাদেশ৷

রাজকোটে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান তোলে৷ অর্থাৎ ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফেরানোর জন্য ভারতকে তুলতে হবে ১৫৪ রান৷

আরও পড়ুন: দু’টি ম্যাচের জন্য ঘোষিত হল ভারতীয় দল

বাংলাদেশ পাওয়াপ প্লে’র ৬ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৫৪ রান তোলে৷ ওপেনিং জুটিতে ৬০ রান তোলার পর লিটন দাস রান-আউট হন৷ যদিও তার আগে দু’বার জীবন দান পান লিটন৷ ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে চাহালের লেগ স্পিনের হদিশ না করতে পেরে স্ট্যাম্প হন তিনি৷ টেলিভিশন রিপ্লে’তে দেখা যায় বল ধরার সময় ঋষভ পন্তের দস্তানার কিছু অংশ স্ট্যাম্প লাইনের ভীতরে ছিল৷ নিয়ম মতো বল স্ট্যাম্প ছাড়িয়ে যাওয়ার পরেই বল ধরতে পারেন উইকেটকিপার৷

ঋষভের ভুলে সে যাত্রায় বেঁচে যান লিটন৷ বলটি নো ঘোষিত হয়৷ পরের ওভারে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে ব্যাট চালিয়ে সহজ ক্যাচ দিয়েছিলেন রোহিতের হাতে৷ হিটম্যান বলটি তালুবন্দি করতে পারেননি৷ শেষে ঋষভ পন্তের বিচক্ষণতায় রান-আউট হন লিটন৷ ফিরে যাওয়ার আগে ২১ বলে ২৯ রানের যোগদান রাখেন তিনি৷

আরও পড়ুন: দুই ওপেনারের ব্যাটে সিরিজ জিতল ভারত

মহম্মদ নঈম ৩১ বলে ৩৬ রান করে ওয়াশিংটনের বলে শ্রেয়স আইয়ারের হাতে ধরা দেন৷ প্রথম ম্যাচের নায়ক মুশফিকুর রহিম ৪ রান করে চাহালের বলে পান্ডিয়াকে ক্যাচ দিয়ে বসেন৷ সৌম্য সরকার ২০ বলে ৩০ রান করে চাহালের বলেই স্ট্যাম্প আউট হন৷

আফিফ হোসেন ৬ রান করে খলিল আহমেদের বলে রোহিতের হাতে ধরা দেন৷ ক্যাপ্টেম মাহমুদুল্লাহ ২১ বলে ৩০ রান করে দীপক চাহারকে উইকেট দেন৷ মোসাদ্দেক হোসেন ৭ ও আমিনূল ইসলাম ৫ রান করে অপরাজিত থাকেন৷

আরও পড়ুন: অনন্য ‘সেঞ্চুরি’ রোহিত শর্মার

চাহাল ২৮ রানে ২টি উইকেট নেন৷ ২৫ রানে ১টি উইকেট দখল করেন দীপক৷ ওয়াশিংটনও দীপক চাহারের মতো ২৫ রানে ১টি উইকেট নেন৷ ১টি উইকেট নিলেও ৪ ওভারে ৪৪ রান খরচ করেন খলিল৷ শিবম দুবে ও ক্রুণাল পান্ডিয়া ২ ওভার করে হাত ঘুরিয়েও কোনও উইকেট তুলতে পারেননি৷