অকল্যান্ড: লোকেশ রাহুল ও শ্রেয়স আইয়ারের ভয়ডরহীন ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচেও দাপুটে জয় তুলে নিল টিম ইন্ডিয়া৷ সেই সঙ্গে ৫ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে ভারত এগিয়ে গেল ২-০ ব্যবধানে৷

ইডেন পার্কে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড৷ প্রথম ওভারে জোড়া ছক্কায় ইনিংস শুরু করলেও কিউয়িরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রানে আটকে যায়৷ বুমরাহ-শামির পেস জুটি কার্যত হাত বেঁধে রাখে নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের৷ রবীন্দ্র জাদেজা উইকেট তোলার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন৷

আরও পড়ুন: সৌরভ থেকে বিরাট উইকেটের পিছনে রাহুলেই আস্থা

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভারত ১৭.৩ ওভারে ৩ উইকেটের বিনিময়ে ১৩৫ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়৷ লোকেশ রাহুল সিরিজে উপর্যুপরি দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরি করে ১৫ বল বাকি থাকতেই দলের ৭ উইকেটে জয় নিশ্চিত করেন৷ শ্রেয়স আইয়ার অল্পের জন্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করেন৷ টিম সাউদি ছাড়া তেমন একটা প্রভাবশালী প্রমাণিত হননি নিউজিল্যান্ডের আর কোনও বোলারই৷

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ওপেন করতে নেমে ২০ বলে ৩৩ রান করেন মার্টিন গাপ্তিল৷ অপর ওপেনার কলিন মুনরো ২৫ বলে ২৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন৷ কেন উইলিয়ামসন ২০ বলে ১৪ রান করে আউট হন৷ কলিন ডি’গ্র্যান্ডহোম ও রস টেলরের সংগ্রহ যথাক্রমে ৩ ও ১৮৷ টিম সেফার্ত অুপরাজিত থাকেন ২৬ বলে ৩৩ রান করে৷

আরও পড়ুন: ভারতে বিশ্বকাপ না-খেলার হুমকি পাকিস্তানের

জাদেজা ৪ ওভারে ১৮ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট দখল করেন৷ বুমরাহ নেন ২১ রানে ১টি উইকেট৷ এছাড়া ১টি করে উিকেট দখল করেন শার্দুল ঠাকুর ও শিবম দুবে৷ শামি উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে ২২ রানের বেশি খরচ করেননি৷

ভারতের হয়ে ওপেন করতে নেমে দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যর্থ হন রোহিত শর্মা৷ প্রথম ম্যাচে ৭ রানে আউট হওয়া হিটম্যান এই ম্যাচে সাজঘরে ফেরেন ৮ রান করে৷ লোকেশ রাহুল প্রথম ম্যাচে ৫৬ রান করে আউট হয়েছিলেন৷ এই ম্যাচে তিনি ব্যক্তিগত ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন৷ বিরাট কোহলি আউট হন ১১ রান করে৷ শ্রেয়স আইয়ার ৪৪ রান করে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসেন৷ শিবম দুবে অপরাজিত থাকেন ৮ রান করে৷ টিম সাউদি ২০ রানে ২টি উইকেট নেন৷ ৩৩ রান খরচ করে ১টি উইকেট নিয়েছেন ইস সোধি৷ ম্যাচের সেরা হয়েছেন লোকেশ রাহুল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।