আমদাবাদ: ড্র করলেই ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে। এমতাবস্থায় মোতেরায় চতুর্থ টেস্টে প্রথমদিনের শেষে অ্যাডভেন্টেজ টিম ইন্ডিয়া। উইকেটে জুজু না থাকলেও ফের ইংরেজ ব্যাটসম্যানদের উপর ছড়ি ঘোরালেন ভারতীয় স্পিনাররা। অক্ষর প্যাটেল এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনের যুগলবন্দিতে প্রথম ইনিংসে ২০৫ রানেই শেষ ইংল্যান্ড। জবাবে দিনের শেষে শুভমন গিলের উইকেট হারিয়ে ২৪ রান তুলেছে টিম ইন্ডিয়া।

এর আগে দিনের শুরুতে মোতেরায় ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংলান্ড অধিনায়ক রুট৷ শুরুটা ভালো হয়নি ইংরেজদের৷ মাত্র ৩০ রানে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান ভারতীয় বোলরারা৷ ৫ রানে ফেরেন অধিনায়ক জো রুট। দ্বিতীয় সেশনে বেন স্টোকস অর্ধশতরান করে কিছুটা রুখে দাঁড়ালেও আরও দু’টি উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় সেশনের শেষে কোণঠাসা হয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। স্টোকস করেন ৫৫ রান।

পঞ্চম উইকেটে বেন স্টোকসের পর ষষ্ঠ উইকেটে ড্যান লরেন্সের সঙ্গে জুটিতে ৪৫ রান যোগ করে ফের একবার লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছিলেন ওলি পোপ। কিন্তু তৃতীয় সেশনে ২৯ রানে অশ্বিনের ডেলিভারিতে গিলের হাতে ধরা পড়েন পোপ। পোপ আউট হওয়ার পর একা লড়াই চালাচ্ছিলেন লরেন্স। কিন্তু টেল-এন্ডারদের কেউই তাঁকে সঙ্গ দিতে না পারায় দীর্ঘায়িত হয়নি ইংরেজদের ইনিংস। ৪৬ রানে আউট হন ড্যান লরেন্স। ব্রিটিশদের ইনিংস থামে ২০৫ রানে। ভারতের হয়ে সর্বাধিক ৪টি উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল। ৩টি উইকেট রবি অশ্বিনের ঝুলিতে। ২টি উইকেট মহম্মদ সিরাজের এবং একটি ওয়াশিংটন সুন্দরের।

জবাবে প্রথম ওভারেই রানের খাতা না খুলে জেমস অ্যান্ডারসনের শিকার হন শুভমন গিল। ব্যাট হাতে আরও একবার ব্যর্থ এই পঞ্জাব তনয়। তবে দিনের বাকি সময়টা কোনও বিপদ ছাড়াই উতরে দেন আরেক ওপেনার রোহিত শর্মা এবং তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা চেতেশ্বর পূজারা। দিনের শেষে ১২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ২৪ রান তুলেছে ভারত। ৮ রানে অপরাজিত রোহিত এবং ১৫ রানে অপরাজিত পূজারা।

রুটদের স্বল্প রানের ফায়দা তুলে দ্বিতীয়দিন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা তাদের প্রথম ইনিংসকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এখন সেটাই দেখার। কারণ কোহলিরা যত এগিয়ে থাকবেন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের রাস্তা আর পরিষ্কার হবে তাদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।