আলিপুরদুয়ার: বন দফতরের (Forest Department ) দলগাও রেঞ্জ ও বিট এর যৌথ অভিযানে কয়েক লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ (Teak wood)উদ্ধার হয়৷ কিন্তু পালিয়ে যায় পাচারকারীরা৷ চলছে তল্লাশি৷

জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারে বীরপাড়ার পাগলি নদীর চর এলাকায় কাঠ বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান আটক করে বন দফতর৷ পাচারের সময় আটক করা হয়৷ এবং ওই ভ্যান থেকেই উদ্ধার হয় কয়েক লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ৷ উদ্ধার করা হয়েছে দুষ্কৃতীদের ফেলে যাওয়া একটি স্কুটি, দুটি দামি মোবাইল ও গাড়ির কাগজপত্র৷

কয়েক মাস আগেও আলিপুরদুয়ার থেকে কয়েক লক্ষ টাকার সেগুন গাছের গুঁড়ি৷ তখন লকডাউন চলার সুযোগে কাঠ পাচারের মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠেছিল জলপাইগুড়ি বনবিভাগের দলমোড় অরণ্য৷ কিন্তু আনলক পর্বেও কাঠ পাচার চক্র সক্রিয় বলে অভিযোগ৷

সেই সময়ও গোপন সুত্রে খবর পেয়ে অভিযানে নামে বন দফতর।একটি অবৈধ কাঠ বোঝাই গাড়িকে দলগাঁও এলাকা থেকে ধাওয়া করে জটেশ্বরের ধুলাগাঁও এলাকায় পাকড়াও করেন বনকর্মীরা। কাঠ মাফিয়া ও গাড়ির চালকের সাথে বনকর্মীদের কয়েক প্রস্থ ধস্তাধস্তির পর অন্ধকারে পালিয়ে যায় ওই দুই পাচারকারী।গাড়িটি থেকে উদ্ধার হয়েছে দুই লক্ষ ষাট হাজার টাকা মূল্যের বারোটি সেগুন গাছের গুঁড়ি।

তারও আগে ৫০ লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ বোঝাই দু’টি লরিসহ একজন চালক ও খালাসিকে গ্রেফতার করেছিল বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বন কর্মীরা। একটি লরির চালক ও খালাসি অবশ্য পালিয়ে গিয়েছিল। অসমগামী ৩১ সি জাতীয় সড়কে আলিপুরদুয়ারের দমনপুর চৌপথি ও কুমারগ্রামের গয়াবাড়ি টোল গেট থেকে গাড়ি দু’টিকে আটক করা হয়েছিল। ধৃত দু’জনের নাম ছিল রামরবিশ ও জয়বীর সিং। তাদের বাড়ি মধ্যপ্রদেশে।

অসম থেকেই বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কর্তাদের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে অসম থেকে সেগুন কাঠ বোঝাই দু’টি লরি আলিপুরদুয়ার হয়ে উত্তর ভারতে যাচ্ছে। সেইমতো বক্সার দমনপুর রেঞ্জ ও ভলকা রেঞ্জের কর্মীরা অভিযানে নেমে লরি দুটিকে আটক করে৷

একটি লরিটি থেকে উদ্ধার হয়েছিল ২০ লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ। দ্বিতীয় লরি থেকে উদ্ধার হয়েছিল আরও ৩০ লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ। তবে একটি লরির চালক ও খালাসি কুয়াশার সুযোগে রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে পালিয়ে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।