ফাইল ছবি

কলকাতাঃ  দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্বশিক্ষকদের স্থায়ীকরণের বিষয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা চলছে। সম্প্রতি স্থায়ীকরণের বিষয়টি কার এক্তিয়ারভুক্ত আর আরটিআইয়ের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয় স্কুলশিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় নিয়ামক সংস্থা এনসিটিইয়ের কাছে। সম্প্রতি এই বিষয়ে চিঠি দিয়ে আবেদনকারীকে জানিয়েছে এনসিটিই। যেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পার্শ্বশিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং বেতনকাঠামো তৈরির বিষয়টি রাজ্য সরকারেরই এক্তিয়ারভুক্ত।

বাংলা এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক এই সংক্রান্ত বিষয়ে এই সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছিলেন পার্শ্বশিক্ষক নেতা অভিজিৎ ভৌমিক। ওই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ জানিয়েছেন, সরকারের টালবাহানার কারণেই পুরো প্রক্রিয়া ঝুলে রয়েছে। আশা করব, খুব দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হোক।

পুজোর আগে পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন বাড়ায় রাজ্য সরকার। এক ধাক্কায় অনেকটাই বেতন বাড়ে। কিন্তু পার্শ্বশিক্ষকদের একাংশ তা মেনে নিতে অস্বীকার করে। বেতনবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাঁচ বছর অন্তর যে তিন শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হত, তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তা নিয়েও অসন্তোষ ছিল। এসএসসিতে সরাসরি ১০ শতাংশ সংরক্ষণও আইনি জটিলতায় ঝুলে রয়েছে। এখন পার্শ্বশিক্ষকরা দাবি করছেন, আর ঘুরপথে নয়, সরাসরি তাঁদের স্থায়ী করা হোক। পদোন্নতির প্রস্তাবও রেখেছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে রাজ্যের উপর চাপ বাড়াতে চলেছে পার্শ্বশিক্ষকদের সংগঠন।

প্রসঙ্গত, পার্শ্বশিক্ষকরা অন্যান্য শিক্ষকদের মতোই ক্লাস নিয়ে থাকেন। গ্র্যাজুয়েট থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করেও বহু লোক এই পদে কাজ করেন। কিন্তু দিনের পর দিন কাজ করে গেলেও স্থায়ী করনের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত এখনও পর্যন্ত নেয়নি রাজ্য সরকার। পাশাপাশি আর্থিক দিক থেকেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসার ফলে তাঁরা ক্ষোভে ফুঁসছেন।