ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ বদলি ট্রান্সফার অন স্পেশাল গ্রাউন্ডের মাধ্যমে বদলির প্রক্রিয়া বন্ধ পড়েছিল। অবশেষে তা ফের শুরু করল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। একদিনে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষক- শিক্ষিকা,শিক্ষা কর্মী এবং প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ পত্র দিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

পড়ুন আরও — নুসরতকে খুনের হুমকি, লন্ডনে বিদেশ মন্ত্রকের কাছে নিরাপত্তা চাইলেন সাংসদ

বদলির নিয়োগপত্রে পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কার্তিক চন্দ্র মান্না স্বাক্ষর করেছেন বলেই পর্ষদ সূত্রের খবর। যদিও বদলি নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে বেশিরভাগ শিক্ষক সংগঠনের মধ্যে।

সূত্রের খবর, স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে বদলি সংক্রান্ত সুপারিশের চিঠি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পাঠানো হলেও পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের অসুস্থতার কারণে সেই প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে পড়েছিল। পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কার্তিক চন্দ্র মান্নাকে নিয়ে আসার পর পরেই বদলি প্রক্রিয়া আবার শুরু হল।

জানা গিয়েছে, ৪৫০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষা কর্মী এবং প্রধান শিক্ষকের বদলির নিয়োগপত্রে পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কার্তিক চন্দ্র মান্না। স্বাক্ষর করার পরই ই মেইল মারফত প্রশাসনের তরফে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক শিক্ষিকাদের জানানো হয়েছে।

যদিও নিয়োগ পত্র পাওয়ার পরেও কবে থেকে চাকরিতে যোগ দেবেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি পর্ষদ এর তরফে। স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুল না খুললে বদলির নিয়োগপত্র পাওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকারা আপাতত স্কুলে যোগ দিতে পারবেন না।

তবে বেশিরভাগ শিক্ষক এই বদলি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, বদলির ক্ষেত্রে দূরত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বদলি প্রক্রিয়া নিয়ে নির্দেশিকা জারি হলেও অনেক শিক্ষক শিক্ষিকার বাড়ির কাছাকাছি স্কুল পায়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।