কলকাতা: ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে জয় শ্রীরাম স্লোগান। প্রতিবাদে আজ সোমবার দুপুরে কলকাতায় মিছিল করবে শিক্ষকদের একটা বড় অংশ। ওই মিছিলে যোগ দিতে পারেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ।

জানা গিয়েছে, দুপুর ২টো নাগাদ মৌলালির রামলীলা ময়দান থেকে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত এই প্রতিবাদ মিছিল হবে। তবে শিক্ষকদের মিছিল যখন ধর্মতলায় আসবে তখন ওই মিছিলে যোগ দিতে পারেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এমনটাই সূত্রের খবর।পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ডাকে এই মিছিল হবে।

মিছিলে কয়েক হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা যোগ দেবে বলে দাবি আয়োজকদের। ফলে মিছিলের সময় শহরের রাস্তায় যানজটের সম্ভাবনা। দুর্ভোগে পড়তে পারেন সাধারণ মানুষ। যদিও পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। যারা যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করবেন।

জয়শ্রী রাম স্লোগান নিয়ে রবিবার কুলতলির জনসভা থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্যের শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক মেজাজে ছিলেন অভিষেক। শুরুতেই ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করা হয়েছে তাঁর তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।

অভিষেক বলেন, একজন নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করা হয়েছে। আগামী ভোটে মানুষ ওদের অর্থাৎ বিজেপিকে জবাব দেবে বলেই দাবি করেন ডায়মন্ডহারবারের এই সাংসদ।

ভিক্টোরিয়ায় ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি ওঠা প্রসঙ্গে অভিষেক আরও বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বক্তব্য রাখতে বাধা দেওয়া হয়। ভিক্টোরিয়ায় তেমনই পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। বক্তৃতা না দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করা হয়েছে।

বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার পর জবাব পেয়েছিলেন। তাতেও তাদের শিক্ষা হয়নি। নেতাজিকে যারা অপমান করল, তাদের শিক্ষা দেবেন। যেন কোথাও মাথা তুলে না দাঁড়াতে পারে। ধর্মকে নিয়ে এসে বাংলাকে কলুষিত করার চেষ্টা হচ্ছে। বাংলার মানুষের সঙ্গে জুমলা পার্টির লড়াই হবে। মানুষই তাদের জবাব দেবেন।’

বিজেপিকে নিশানা করে অভিষেক আরও বলেন ‘এদের বুকে সাভারকর আর নাথুরাম, আমাদের বুকে নেতাজি আর ক্ষুদিরাম।’ ভিক্টোরিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার সকাল থেকেই প্রতিবাদ, বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মীরা। কোথাও প্রতিবাদ মিছিল, কোথাও রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।