লন্ডন: অন্য যে কোনও পেশার চেয়ে অনেক বেশি পরিশ্রম করেন শিক্ষক-শিক্ষিকার৷ সকলের চেয়ে অনেক নিবিড়ভাবে কাজ করতে হয় তাঁদের৷ সম্প্রতি অক্সফোর্ড রিভিউ অন এডুকেশন পত্রিকায় প্রকাশিত সমীক্ষা থেকে উঠে এল এমনই এক তথ্য৷

২০১৭ সালে ব্রিটিশ স্কুলে ৮০০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়৷ তাতে দেখা গিয়েছে, শিক্ষকতার কাজে উচ্চস্তরের ইনপুট প্রয়োজন৷ ২৫ বছর ধরে প্রতি দশ জনের মধ্যে নয় জনের ক্ষেত্রে তা দুই তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পেয়েছে৷ বলা হচ্ছে, কেবলমাত্র স্বাস্থ্য, সোস্যাল সার্ভিস ম্যানেজার এবং আইনের সঙ্গে যুক্ত লোকেরা শিক্ষকদের সমান কাজ করেন৷

অধিকাংশ শিক্ষকদের কথায়, তাঁরা অধিকাংশ সময়েই বা বলা ভালো সর্বদাই অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন (১৯৯৭ সালে ৭২ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৮৫ শতাংশ)৷ গত দশ বছর এই পরিশ্রমের মাত্রা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে৷ যা অন্য যে কোনও কাজের তুলনায় অনেকটাই বেশি (৪৪ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি)৷

ইউএলসি ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশনের প্রফেসার ফ্রান্সিস গ্রিন বলেন, দীর্ঘ সময় কাজ করার ফলে তাঁদের কাজের মান কমে যায়৷ এই অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে৷ অন্যান্য কাজের সঙ্গে তুলনা করলে শিক্ষকতার কাজ অনেক বেশি নিবিড় ভাবে করতে হয়৷ এটা অভূতস্তরে বেড়ে গিয়েছে৷

এছাড়াও বলা হয়ছে, কোভিড ১৯ পরবর্তী পরিবেশে শিক্ষকদের কাজের মানোন্নয়ন ঘটলে তা অনেকটাই লাভজনক হবে। কেবল শিক্ষকদের জন্যই নয়, স্কুল ও শিক্ষার্থীদের জন্যও৷ যারা শিক্ষার মানের উপর নির্ভর করে। প্রসঙ্গত, স্কিল অ্যান্ড এলপ্লয়মেন্ট সার্ভের এই তথ্য ১৯৯২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সমীক্ষার উপর প্রকাশিত হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।