কলকাতা: জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে ‘জনতা কার্ফু’ জারি করার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বার্তা অনুযায়ী, রবিবার ১৪ ঘণ্টা কেউ বাড়ি থেকে বেরবেন না। তবে, এরই মধ্যে রাজ্য সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের ওই স্কুলে যেতে বলা হয়েছে। ফলে, কীভাবে তাঁরা স্কুলে যাবেন, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন অনেকেই।

পড়ুয়াদের মিড ডে মিল দেওয়ার প্রস্তুতির জন্য সেদিনই শিক্ষকদের স্কুলে যেতে বলা হয়েছে।

রাজ্যের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছে। যতদিন স্কুল বন্ধ থাকবে, ততদিনের মিড ডে মিলের সামগ্রী পড়ুয়াদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত ২০ মার্চ ব্যারাকপুরের অফিসের তরফে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা জেলার সব উচ্চ প্রাথমিক, উচ্চ, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে। ওই জেলার স্কুলগুলি রবিবার খোলা রাখার আর্জি জানানো হয়েছে। মিড ডে মিল বিলির যাবতীয় প্রস্তুতি রবিবারের মধ্যে সেরে রাখতে বলা হয়েছে।

প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, প্রতি মাসে পড়ুয়াদের দু’কেজি চাল ও আলু দেওয়া হচ্ছে। তবে পড়ুয়াদের স্কুলে আসতে হবে না। অভিভাবকদের হাতে তা তুলে দেওয়া হবে। আর সেই সামগ্রী বিলির জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে স্থানীয় বাজার থেকে শনিবার ও রবিবার ১৮ টাকা কেজি দরে আলু কিনতে হবে।

যদিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে যথারীতি বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘জনতা কার্ফু’-র দিন বেছে নিয়েছে শিক্ষা দফতর।

বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফে। তাদের মতে, জরুরি পরিষেবার জন্যই শিক্ষকদের যেতে বলা হয়েছে।