স্টাফ রিপোর্টার, রায়গঞ্জ: পড়া বোঝানোর নামে ছাত্রীদের গায়ে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা থেকে শুরু করে বিদ্যলয়ের হাজিরা খাতা লোপাট, গুরুতর এই অভিযোগ উঠেছে শাসকদল তৃণমূলের উত্তর দিনাজপুরের শিক্ষক সংগঠনের জেলা সম্পাদকের বিরুদ্ধে৷ ইতিমধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন ক্ষোদ প্রধান শিক্ষক৷ একই সঙ্গে স্কুলের তরফেও শুরু হয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত৷ সমগ্র ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ যদিও অভিযুক্ত শিক্ষক-নেতা অমিত রায় ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘চক্রান্তে’র অভিযোগ এনেছেন৷

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ ব্লকের হাতিয়া হাইস্কুলের৷ সংশ্লিষ্ট স্কুলের ইংরেজির শিক্ষক অমিত রায়৷ তিনি শাসকদল তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনের জেলা সম্পাদকও৷ তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির একাধিক ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানিয়েছে প্রধান শিক্ষকের কাছে। অভিযোগের ভিত্তিতে স্কুলের তরফে তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত শুরু হয়েছে৷ একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের হাজিরা খাতা লোপাটের অভিযোগও উঠেছে৷ ওই ঘটনায় স্কুলের তরফে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷

বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীদের অভিযোগ, অমিত স্যার ক্লাসে পড়া বোঝানোর নামে গায়ে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। স্কুলের একটি সূত্রের খবর, তিনি পার্টির প্রভাব দেখিয়ে স্কুলেও নিয়মিত আসেন না৷ ২০১১ সালের ১৩ মার্চ থেকে ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষক ২৯১ দিন নানা অজুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কারণে পরিচালন সমিতি ইতিমধ্যে তাঁকে শোকজও করেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিরুদ্ধ সিনহা বলেন, ‘‘অভিযোগ পেয়েছি। পরিচালন সমিতি তদন্ত করছে৷ পাশাপাশি থানাতেও অভিযোগ জানানো হয়েছে৷ ’’ যদিও অভিযুক্ত শিক্ষক অমিত রায়ের পাল্টা অভিযোগ, ‘‘আমি শাসকদলের শিক্ষক সংগঠনের জেলা সম্পাদক। আর প্রধানশিক্ষক শাসক বিরোধী শিক্ষক সংগঠনের নেতা৷ তাই উনি আমার দুর্নাম করতেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ছাত্রীদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ আনিয়েছেন৷’’ তবে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ যাই থাক না কেন, ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকার রাজনৈতিক মহলে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।