teacher died in Tripura
ফের ত্রিপুরায় শিক্ষকের মৃত্যু।

আগরতলা: কাজ ফেরানোর দাবিতে শিক্ষক আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন এমন আরও এক কর্মচ্যুতের মৃত্যু হলো। এই নিয়ে বিজেপি শাসনের তিন বছরের মাথায় ৮৫ জন শিক্ষক শিক্ষিকা মারা গেলেন। কয়েকজন আত্মঘাতী হয়েছেন।

মৃত শিক্ষকের নাম কল্যাণ দাস। তিনি অসুস্থ ছিলেন একইসাথে কাজ হারানোর পর মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এমনই জানিয়েছেন ‘১০৩২৩ আন্দোলন’ নেতৃত্ব। তাঁরা আরও জানান, রাজ্য সরকার বাড়ি বাড়ি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি একদম ভুয়ো। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ও শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা।

গত ২৭ জানুয়ারি আগরতলায় শিক্ষক শিক্ষিকাদের শান্তিপূর্ণ ধর্না আন্দোলন মঞ্চ ভেঙে দেয় সরকার। পুলিশের লাঠি চার্জে জখম হন বহু শিক্ষক শিক্ষিকা। আক্রান্ত শিক্ষক শিক্ষিকাদের ছবি দেখে দেশ জুড়ে আলোড়ন পড়ে। মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাও করেছিলেন শিক্ষক শিক্ষিকারা।

অভিযোগ, রাজ্যের বিজেপি ও আইপিএফটি জোট সরকারের চাকরি বিষয়ক প্রতিশ্রুতির কিছুই পূরণ হয়নি গত তিন বছরে। কর্মচ্যুত এক শিক্ষক আত্মঘাতী হওয়ার পর তাঁর স্ত্রী চিতায় উঠে পুড়ে মরতে চেয়েছিলেন। সেই ঘটনা দেশ জুড়ে আলোড়ন ফেলে দেয়। এর পর এক শিক্ষিকা বিষ খেয়ে মরার আগে সন্তানদের বিষ খাওয়ান। এই ঘটনাও বিতর্ক তৈরি করে। পরে আরও এক শিক্ষকের মৃত্যুর পর মৃতদেহ নিয়ে শিক্ষা দফতর ঘেরাও করেন আন্দোলনকারীরা। দফতরে ঢুকে পড়েন তাঁরা।

রাজ্যে বিগত বাম সরকারের আমলে চাকরি পেরেছিলেন এই ১০৩২৩ জন শিক্ষক শিক্ষিকা। তবে আদালত বলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ত্রুটি আছে। বাম সরকার জানায় বিকল্প কর্মসংস্থান করা হচ্ছে। তবে সরকার পরিবর্তন হয়। বিজেপি আইপিএফটি জোট ক্ষমতায় আসে বাড়ি বাড়ি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কিন্তু এই ১০৩২৩ শিক্ষক শিক্ষিকার চাকরি বা বিকল্প কর্মসংস্থান করা হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।