টোকিও: স্কুলে শিক্ষকতা করার সময় এমনকি অবসরের পরেও যুবতীদের যৌন নিগ্রহ করার দায়ে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রায় ১২ হাজার যুবতীকে যৌন নিগ্রহ করার অভিযোগ রয়েছে৷

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ইয়োহি তাকাশিমা ২৫ বছর ধরে ফিলিপাইনসে থাকে৷এরমাঝে সে ১৪ থেকে ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত মহিলাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তাদের যৌন শোষণ করে৷ ওই শিক্ষক হোটোলে কিছু মহিলাদের যৌন হেনস্থা করছিলেন এবং তাদের অশ্লীল ছবি তুলছিলেন৷ সেসময়ই পুলিশ তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে৷ পুলিশ ওই শিক্ষকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১৪৭৬০০টি অশ্লীল ছবি উদ্ধার করে৷ এই ছবিগুলিকে সে প্রায় ৪০০ টি অ্যালবামের ভিতরে সাজিয়ে রেখেছিল৷ এই ছবিগুলির মধ্যে পুরুষদেরও ছবি ছিল৷ অভিযুক্ত জানিয়েছে, ১৯৮৮ সালে তাকে জাপানের একটি স্কুলে বদলি করে দেওয়া হয়৷ তখন থেকেই সে এই অশ্লীল কাজ শুরু করে৷ সূত্রের খবর, অবসর নেওয়ার পর ফিলিপাইনসে ফিরে আসার পরেও সে এই কাজ চালিয়ে যেতে থাকে৷

এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, বিগত ২০১৩ সাল থেকে তার উপর নজরদারি রাখা হয়৷ এরপরেই ২০১৪ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.