প্রতিটা মেয়ের কাছেই তার এক রাশ ঘন চুল অহংকার। কিন্তু ক্রমাগত অনিয়মিত জীবনধারা ও দূষণ মিলিয়ে মিশিয়ে চুলের হাল বেহাল করে দিচ্ছে। প্রতিদিন চুল ঝরার (hair fall) পরিমাণ দেখে কেউ কেউ তো আবার কেঁপে উঠছেন রীতিমতো।

প্রাকৃতিক উপায়ে থেকে সমস্ত কেমিক্যাল সব ধরনের ট্রিটমেন্ট ট্রাই করেছেন তারা। কিন্তু কিছুতেই কোন লাভ পাওয়া যাচ্ছে না। চুল সুস্থ রাখতে যতটা দরকার আপনার ডায়েটে পরিবর্তন ঠিক ততটাই দরকার আপনার চুলের বিশেষ যত্ন।

এই বিশেষ যত্নের জন্যে এবার সহায় হোক এই চা। তবে এটি কোনোভাবেই কোনো লিকার চা বা গ্রিন টি নয়। একেবারেই অন্যরকম এই চা। দাবি করা হচ্ছে যে এতে চুল পড়ার সমাধান পাওয়ার পাশাপাশি চুল হবে ঘন ও উজ্জ্বল।

আরো পোস্ট-  বাংলায় বিজেপি-র পরাজয়ের নেপথ্য কারণ

নতুন চা এর নাম নেটলেট চা (nettle tea) বা স্টিঙ্গিং টি। বিশেষজ্ঞদের মতে চুল শক্ত ও মজবুত করতে গরম চা পান করা উচিত। এর ফলে নাকি আমাদের মাথায় রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।

এছাড়াও চুলের গোড়ায় অক্সিজেন সরবরাহ খুব দ্রুত হয়। এই বিশেষ ধরনের চায়ে রয়েছে কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট যা চুলের খারাপ পদার্থগুলি থেকে চুলকে মুক্ত রাখে।

এর পাশাপাশি আবার চুলের ডি এইচ টি গঠন করতে আটকায়। এই ডি এইচ টি হলো এমন একটি উপাদান যার কারণে প্রধানত যে কোন মানুষের মাথায় টাক পড়তে দেখা যায়।

নেটলেট গাছের পাতা, কাণ্ড বা মূলকে গুঁড়ো করে তা ব্যবহার করা হয় ক্রিম, চা ইত্যাদি তৈরিতে। এবার প্রশ্ন উঠতে পারে যে এই চায়ের উপাদানে কী বিশেষত্ব রয়েছে?

এই নেটলেট চায়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ক্লোরোফিল। অনলাইনে বাড়িতে বসে অর্ডার করলেই হাতে মিলবে এই চা।

আবার আপনি চাইলে শপিং মলে গিয়ে সরাসরি গ্রসারি স্টোরেও এর খোঁজ করতে পারেন। কীভাবে বানাবেন (nettle tea)?

প্রথমেই জল ফুটিয়ে তাতে পাতা যোগ করুন। পাতা ফুটে গেলে গ্যাস বন্ধ করে পাঁচ মিনিট রেখে দিন।

এবার একটি ছোট স্ট্রেনারের মাধ্যমে মিশ্রণটি ঢালুন কাপে। এর স্বাদ বাড়াতে আপনি চাইলে এর সঙ্গে কিছুটা মধু, দারুচিনি বা স্টেভিয়া যুক্ত করতে পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.