ছবি প্রতীকি

ভোপাল: রাষ্ট্রপতি পদের জন্য এবার লড়াই করতে চলেছেন মধ্যপ্রদেশের এক চা ওয়ালা। এটাই প্রথমবার নয়, এ নিয়ে চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন তিনি। ৩০ বার ভোটে হেরেও থেমে থাকেননি তিনি। আশাহত হননি।

গোয়ালিয়রের এই চা বিক্রেতা ১৯৯৪ সাল থেকে ভোটে লড়ে চলেছেন। এর আগে ভাইস-প্রেসিডেন্ট পদের জন্যও লড়াই করেছেন তিনি। আনন্দ সিং কুশওয়াহা জানিয়েছেন, তিনি নিয়মিত বিধায়ক ও সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। এবার তিনি আশা করছেন যে অনেক ভোট পাবেন।

১৯৯৪ থেকে প্রত্যেকটা নির্বাচনের কথা মনে করতে পারেন তিনি। রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য ৫০ জন ভোটারের সমর্থন ও ৫০ জন ব্যাকার প্রয়োজন হয়। কোনোরকমে টাকা জোগাড় করে সিকিউরিটি ডিপোজিট জমা করেছেন। চা বিক্রি করেই একটু একটু করে টাকা জমিয়েছেন তিনি।

তিনি জানান, ২০১৩-র অ্যাসেম্বলি ইলেকশনে কুশওয়াহা ৩৭৬ টি ভোট পান। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের সময় তিনি নিজের ১০০০০ টাকার সম্পত্তি ও ৫০০০ টাকা নগদ ঘোষণা করেন। গাড়ি কেনার সামর্থ্য নেই, তাই পায়ে হেঁটেই প্রচার সারেন তিনি। সেইসময় তাঁর স্ত্রী চায়ের দোকানটি চালায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।