নয়াদিল্লি: চাকরি ছাড়ার আগে একটা নোটিশ পিরিয়ড-এ কাজ করতে হয়, যাতে কর্তৃপক্ষ সচেতন হয় যে ওই ব্যক্তি সংস্থা ছাড়ছে। নোটিশ পিরিয়ড শুরু হয় যেদিন থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন এবং শেষ হয় যেদিন তিনি শেষ কাজ করছেন।

ওই ব্যক্তির চাকরি ছাড়ার আগে সাধারণত সংস্থাকে প্রস্তুত হতে কয়েকটা সপ্তাহ সময় দিতে হয়। নোটিশ পিরিয়ড-এ সাধারণত সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি যে ব্যক্তি কাজ ছেড়ে দিচ্ছেন তার বিকল্প কাউকে নিয়ে আসেন। যাতে ওই ব্যক্তি চলে গেলেও সংস্থার কাজ কোনওরকম ব্যহত না হয়।

যদি ওই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নোটিশ পিরিয়ডে কাজ না করে চাকরি ছেড়ে দেয় তাহলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং তার সহকর্মীদের কাজে অসুবিধে হতে পারে। তাই পুরনো কাজ ছাড়ার আগে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে নোটিশ পিরিয়ড দিয়ে কাজ ছাড়ার প্রথা রয়েছে।

তা ছাড়া নোটিশ পিরিয়ড-এ কাজ করলে একই রকম শর্তে বেতন পাওয়া যায়। এখন যদি নোটিশ পিরিয়ডে কাজ না করে , তাহলে তখন কাজ না করার জন্যে বেতন কাটা তো যাবেই তার পাশাপাশি ওই সংস্থা ওই ব্যক্তির গোটা মাসের টিডিএস কাটবে।

কারণ আয়কর আইন অনুসারে ওই ব্যক্তির আয়ের উপর যে কর ধার্য করা হয় তা তিনি কি পাচ্ছেন অথবা কি পাবেন যেটি আগে হবে তার ভিত্তিতে হবে।ফলে ওই ব্যক্তি নোটিশ পিরিয়ড-এ পুরো মাস কাজ না করার জন্য বেতন না পেলেও তার টিডিএস কাটা হবে তিনি কতটা পেতে পারেন তার উপর।

অর্থাৎ তাকে যদি এক মাসের নোটিশ পিরিয়ড কাজ করার কথা ছিল সে ক্ষেত্রে তিনি যদি ১৫ দিন নোটিশ পিরিয়ড কাজ করেন তখন সংস্থা কর্তৃপক্ষ ফাইন্যান্স সেটেলমেন্ট-এ তার ১৫ দিনের মাইনে কাটবে আর তবে টিডিএস কাটা হবে না ১৫ দিনের বেতনের উপর উল্টে তা কাটা হবে ওই পুরো মাসের বেতনের উপর।

একইরকম ভাবে যদি ওই কর্মী নোটিশ পিরিয়ড-এ গোটা মাস না কাজ করেন তাহলে তার গোটা মাসের বেতন কাটা যাবে। পাশাপাশি ওই মাসের টিডিএস কাটা যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।