নয়াদিল্লি : করোনা আতঙ্ক কাটেনি। পরিস্থিতিও স্বাভাবিক নয়। তাই ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মেয়াদ বাড়তে চলেছে সম্ভবত। টিসিএস, ইনফোসিস, উইপ্রোর মতো বেশ কিছু টেক জায়ান্ট তাঁদের ৯৯ শতাংশ কর্মীদের বাড়ি থেকেই কাজ করাতে চাইছে। অফিসে রেখে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব নয়, এই দাবিতে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মেয়াদ বাড়াতে পারে কোম্পানিগুলি।

অন্যদিকে এইচসিএল, টেক মাহিন্দ্রা চাইছে অন্তত ২০ শতাংশ কর্মী অফিসে ফিরে কাজ করুন। ডিসেম্বরের মধ্যেই এই নিয়ম জারি করতে চাইছেন তাঁরা। রোটেশনাল পদ্ধতিতে কর্মীদের অফিসে এনে কাজ করানোর পদ্ধতি শুরু করতে চলেছে এই দুটি কোম্পানি। সেক্ষেত্রে প্রতিটি রোটেশনে ২০ শতাংশ করে কর্মী অফিসে মজুত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

টেক মাহিন্দ্রা অবশ্য এক চতুর্থাশ কর্মী এক একবারে নিয়ে কাজ করা চাইছে। দেশের বিভিন্ন অফিসে এই পদ্ধতিতে কাজ চলুক, চাইছে টেক মাহিন্দ্রা। সপ্তাহ খানেক আগেই আমাজন জানিয়েছে ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

ফেসবুকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সরকারি ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের গাইডলাইন ও অভ্যন্তরীণ আলোচনার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কর্মীদের ২০১২১ জুলাই পর্যন্ত স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সরকারি নির্দেশ পেলে আবার অফিসগুলি কিছু সংখ্যক লোক নিয়ে আবার চালু করবে। তবে কোম্পানি জানিয়েছে, করোনা যে হারে বাড়ছে তাতে বছর শেষের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং লাতিন আমেরিকায় অফিস চালু হওয়ার সম্ভাবনা কম।

উল্লেখ্য, জুলাইয়ের শেষের দিকে গুগল জানিয়েছিল, যাদের অফিসে একান্ত প্রয়োজন নেই তাঁরা ২০২১ এর জুন অবধি বাড়ি থেকেই ওয়ার্ক ফ্রম হোম করতে পারবেন। জানা গিয়েছে এই সুবিধা পাবেন গুগলের সকল স্থায়ী এবং অস্থায়ী কর্মীরা। ইতিমধ্যেই একাধিক তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা জানিয়েছে এই বছরের শেষ পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ করতে পারবেন। তবে আমাজন এবং অ্যাপেলের তরফে আগামী জানুয়ারি থেকে কর্মীদের কাজে যোগ দিতে জানানো হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়া টুইটার কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে অনুমতি দিয়েছে। টুইটার অনির্দিষ্ট কালের জন্য কিছু কর্মীকে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সুবিধা দিয়েছে।

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I