নয়াদিল্লি: করোনা সংকট কাটিয়ে যেন এবার নতুন নিয়োগের দিকে রীতিমতো নজর দিচ্ছে সংস্থাগুলি। দেশের চার প্রধান তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা টিসিএস, ইনফোসিস, উইপ্রো এবং এইচসিএল টেকনলোজিস মিলে ক্যাম্পাস থেকে একেবারে মোট ৯১,০০০ নতুন নিয়োগ করতে চলেছে পরের অর্থ বর্ষের জন্য। লকডাউন ওঠার পর ফের চাহিদা বাড়ায় এমন পথে এগোনোর কথা ভাবা হয়েছে।

টিসিএসের ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা গ্লোবাল এইচআর হেড মিলিন্দ লক্কর সম্প্রতি জানিয়েছেন তাদের সংস্থায় এই বছরের মতোই সামনের বছর নতুন নিয়োগ (৪০,০০০) করা হবে। ইনফোসিস জানিয়েছে, ২৪,০০০ কলেজ স্নাতক নেওয়া হবে আগামী অর্থবছরের জন্য যা চলতি বছরের জন্য পরিকল্পনামাফিক ১৫,০০০ থেকে বেশি।

এইচসিএল টেকনলোজির চিফ এইচআর অফিসার আপারাও ভি ভি জানিয়েছেন, বহুবিধ কারণ রয়েছে যার জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার গতি বেড়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রা ছিল তার চেয়ে ৩৩ শতাংশ বেশি কাজ করতে হচ্ছে, বিশেষত্ব তৃতীয় এবং চতুর্থ ত্রৈমাসিকে এটা ত্বরান্বিত হয়েছে। এইচসিএল পরিকল্পনা করেছে, ১৫,০০০ নতুন নিয়োগ হবে ভারতে এবং১৫০০-২০০০ লোক নেওয়া হবে কাজের জায়গায় ২০২২ সালের মার্চ মাসের শেষ হওয়া আর্থিক বছরে।

উইপ্রো আশা করছে, আগামী কয়েক মাস একটা ট্যালেন্ট ওয়ার চলবে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে সংস্থা গুলির মধ্যে। যেহেতু সংস্থাগুলি লোক নিয়োগে পদক্ষেপ করবে। প্রসঙ্গত জার্মান সংস্থা ডাইমেলারের সঙ্গে ঐতিহাসিক বড় চুক্তি করেছে ইনফোসিস। যে চুক্তিটি ৩২০ কোটি ডলারের। একইরকম ভাবে দেখা গিয়েছে টিসিএস পিছিয়ে নেই। প্রুডেনশিয়াল ফিনান্সিয়ালের সঙ্গে বড় অংকের চুক্তি সেরেছে তারা। আবার উইপ্রোকে দেখা গিয়েছে, জার্মানির খুচরা বিপণন সংস্থা মেট্রোর কাছ থেকে বরাত পেতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।