নয়াদিল্লি: বর্তমানে গ্যাজেট প্রেমী মানুষের কাছে ট্যাব এবং আধুনিক ব্র্যান্ডের মোবাইল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ একাধিক ফোন বা ট্যাব আত্মপ্রকাশ করার আগেই সেই সংক্রান্ত তথ্য চলে আসে তাদের কাছে। তবে এবারে সেই সকল মানুষের জন্য আসতে চলেছে সুখবর।

ফোন প্রেমীদের কাছে টিসিএল নামটি অচেনা নয়। এবারে তারা আনতে চলেছে এক নতুন ধরণের ফোল্ডেবল ট্যাব। মনে করা হচ্ছে এটি স্যামসং গ্যালাক্সি ফোল্ড বা হুয়াইয় মেট এক্সের মতই হবে। এই নতুন ট্যাবটি খোলা যাবে তিন ভাগে। ভাঁজ করলে এর একটি ভাগ আসবে সামনের দিকে। আর অন্যটি পিছনের দিকে। অর্থাৎ এই প্রথম কোন কোম্পানি গ্রাহকদের জন্য ট্যাব নিয়ে এল যা তিন ভাগে ভাঁজ করা যায়। অর্থাৎ সম্পূর্ণ অবস্থাতে যা একটি ট্যাব তাই ভাঁজ করলে পরিণত হয়ে যাবে একটি ফোনে।

এই ট্যাবের স্ক্রিন হবে বাকিদের থেকে অনেকটাই বড়। আর এই সুবিধা থাকার কারণে গ্রাহকদের কাছে এটি যে যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

১০ ইঞ্চি স্ক্রিনের এই ট্যাব টি ভাঁজ করলে রূপান্তরিত হয়ে যাবে ৬.৬৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের একটি স্মার্টফোনে। একই ডিভাইসের মধ্যে একাধারে ট্যাব এবং ফোনের সুবিধা থাকায় সুবিধা পাবে ক্রেতারাও।

বর্তমান যুগে প্রযুক্তিগত সুবিধার দিকে ঝুঁকছে আধুনিক যুগের মানুষজন। একাধিক সুবিধা সম্বলিত গ্যাজেট কিনলে আখেরে সুবিধা হয় ক্রেতাদেরই। আর সেই বিষয়টি মাথায় নিয়ে এই নতুন উপহার ক্রেতাদের জন্য আনতে চলেছে এই সংস্থা।

প্রাথমিক ভাবে এই ট্যাবটির আত্মপ্রকাশ করার ঘোষণা করা হয়েছিল স্পেনের বার্সেলোনাতে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের জেরে পিছনো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।