হায়দরাবাদ: ভারতীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা৷ প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটা তদন্ত ফের শুরু করার আর্জি জানাতে চলছে তেলেঙ্গানা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (টিসিএ)৷ DECCAN CHRONICLE-এর এক রিপোর্টে এমনটাই প্রকাশিত হয়েছে৷

টিসিএ প্রেসিডেন্ট ওয়াই লক্ষ্মীনারায়ণ এবং সচিব ডি গুরুভা রেড্ডি রবিবার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শীঘ্রই এক প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে মহম্মদ আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটা তদন্ত পুনরায় শুরু করার জন্য সিবিআই-কে অনুরোধ করবে। ম্যাচ গড়াপেটার তদন্ত করে সমস্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করার আর্জি জানাবে৷

এছাড়াও বর্তমান হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশিত এবং লোধা কমিটির সুপারিশগুলির লঙ্ঘন করার অভিযোগ এনেছেন তেলেঙ্গানা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের আধিকারিকরা৷ তাদের অভিযোগ, আজহারের দুর্নীতিযুক্ত শাসনকালে এইচসিএ-র বিভিন্ন স্তরীর টুর্নামেন্টের জন্য অ্যাকাউন্ট পরীক্ষানিরীক্ষা এবং খেলোয়াড় ও কোচ নির্বাচন সম্পর্কিত নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে৷

টিসিএ সচিব গুরুভা রেড্ডি বলেন, ‘আজহারউদ্দিন দেশের কোনও আদালত বেটিং সম্পর্কিত কোনও অভিযোগ থেকে মুক্তি পাননি৷’ তিনি আরও বলেন, ‘অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে আজহারের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন নির্বাসনের মেয়াদ তুলে নেওয়া আর্জি জানিয়েছিল৷ ম্যাচ গড়াপেটার কাণ্ডে বিসিসিআই কর্তৃক যা প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের উপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল৷ হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কেই চ্যালেঞ্জ করেনি৷ আমরা বিসিসিআই-কে আজহারের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই পুনর্নবীকরণের জন্যও অনুরোধ করব৷’

আজহারের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটা তদন্ত করত গিয়ে সিবিআই যে তথ্য পেয়েছিল, তা তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এখনও পাওয়া যাবে৷ ম্যাচ ফিক্সিং সম্পর্কিত দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, এম কে গুপ্তার নেতৃত্বে বুকিদের দলের সাক্ষাৎ করানো এবং অর্থ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছিলেন আজহারউদ্দিন ও অনান্য খেলোয়াড়রা৷

সিবিআই-এর রিপোর্টে আরও বলা হয়েছিল, ‘জিজ্ঞাসাবাদের সময়, আজহার স্বীকার করেছিলেন ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য অজয় গুপ্ত এবং তার সহযোগীরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। আজহার বলেছিলেন, তাদের কাছ থেকে তিনি কী পরিমাণ অর্থ পেয়েছিলেন তা তাঁর মনে নেই। ১৯৯৯ সালে জয়পুরে ভারত ও পাকিস্তান পেপসি কাপ ম্যাচটি গড়াপেটা করা হয়েছিল। আজহারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন অজয় জাদেজা এবং নয়ন মোঙ্গিয়া৷ অজয় গুপ্তের তরফে কোনও অচেনা ব্যক্তি ম্যাচের পরে তাঁকে প্রায় ১০ লক্ষ ডলার দিয়েছিল করেছিল।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.