নয়াদিল্লি: করোনা চিকিৎসায় আশাল আলো দেখাচ্ছে যক্ষার প্রতিষেধক। আমেরিকার বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকা ‘প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স’-এর তরফে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যক্ষার প্রতিষেধক প্রয়োগ করে করোনায় মৃত্যুর হার অনেকটাই কমানো যাচ্ছে। মার্কিন বিজ্ঞানীদের ওই গবেষণা দলের প্রধান জানিয়েছেন, সংকটজনক করোনা রোগীদের যক্ষার প্রতিষেধক প্রয়োগ করে মৃত্যুর হার প্রায় ১০.৪ শতাংশ পর্যন্ত কমানো গিয়েছে।

গোটা বিশ্ব করোনার গ্রাসে। ভারতে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে নোভেল করোনাভাইরাস। প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে প্রতিষেধক তৈরির কাজ।

একাধিক দেশের বিজ্ঞানীরা করোনার প্রতিষেধক তৈরিতে ব্যস্ত। ভারতেও এব্যাপারে তৎপরতা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই হায়দরাবাদের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারত বায়োটেকের COVAXIN ও আহমেদাবাদের ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা জাইডাস ক্যাডিলার ZyCov-D— এই দু’টি করোনা প্রতিষেধকের হিউম্যান ট্রায়াল শুরু হতে চলেছে।

এছাড়াও লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ও করোনা প্রতিষেধক তৈরিতে প্রাথমিকস্তরে সফলতা পেয়েছে বলে দাবি করেছএ। সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগামী অক্টোবর মাস নাগাদ করোনার যম অক্সফোর্ড টিকা বাজারে মিলবে বলে দাবি করা হয়েছে।

অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই টিকার দাম পড়বে মাত্র এক কাপ কফির দামের সমান। এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা ফাইজারও জানায়, আগামী অক্টোবর নাগাদ তাদের তৈরি ভ্যাকসিন বাজারে আসবে।

সম্প্রতি আমেরিকার বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকা ‘প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স’-এর তরফে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যক্ষার প্রতিষেধক প্রয়োগ করে করোনায় মৃত্যুর হার অনেকটাই কমিয়ে দিচ্ছে।

যক্ষার প্রতিষেধক বিসিজির প্রয়োগে মানবদেহে প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো যায়। মার্কিন বিজ্ঞানীদের একাংশের দাবি, সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত বেশ কয়েকজনকে বিসিজি প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে। করোনায় মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বিসিজি প্রতিষেধকের প্রয়োগে ভাল ফল মিলেছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ