কলকাতা: শুক্রবারই বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা হয়েছে। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষমার পরের দিনই তৃণমূল সুপ্রিমোকে বিঁধে টুইট বিজেপি নেতা তথাগত রায়ের। টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় বলেছিলেন, মাত্র এক মহিলাকে ভয় পেয়ে এত লোক! তিনি কি নিজের মধ্যে সাহস জোগানোর চেষ্টা করছেন? এযা সত্যি যে এবার তিনি একটু নার্ভাস, খিটখিটে হয়ে পড়েছেন। তাঁর মধ্যে ২০১৬ সালে সম্ভাব্য জয়ী হওয়ার যে আত্মবিশ্বাস দেখেছিলাম তা এখন দেখতে পাচ্ছি না।’’

বঙ্গ ভোট এবার আট দফায়। শুক্রবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যর বিধানভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বাংলা ছাড়াও কেরল, তামিলনাড়ু, আসাম ও পুদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন হবে। তবে একমাত্র বাংলাতেই সবচেয়ে বেশি সময় ধরে চলবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া। ২৩৪ আসনের তামিলনাড়ুতেও এক দফায় ভোটগ্রহণ হবে। তবে পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে আট দফায়। বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যেই ভোট গণনা ২ মে। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট ভোট ২৭ মার্চ। এই দফায় ভোট হবে ৩০টি আসনে। দ্বিতীয় দফার ভোট ১ এপ্রিল। ৩০টি আসনে হবে ভোট গ্রহণ।

তৃতীয় দফায় ৬ এপ্রিল ৩১ টি আসনে ভোট হবে। চতুর্থ দফায় ১০ এপ্রিল ৪৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। পঞ্চম দফায় ৪৫টি আসনে ভোট হবে ১৭ এপ্রিল। ষষ্ঠ দফায় ভোট হবে ২২ এপ্রিল। সপ্তম দফায় ভোট গ্রহণ হবে ২৬ এপ্রিল ও অষ্টম তথা শেষ দফায় ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। বিধানসভা ভোটের জন্য এরাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক করা হয়েছে অজয় নায়েককে। মৃণালকান্তি দাস ও বিবেক দুবেকে বিশেষ পুলিশ অবজার্ভর করে বাংলায় পাঠাচ্ছে কমিশন। রাজ্যে ভোটে আয়-ব্যয়ের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে বি মুরলিকুমারকে। এদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতেও তিন দফায় নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে, ভোটের দিন ঘোষণার পরের দিনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে টুইট বিজেপি নেতা তথাগত রায়ের। তৃণমূল সুপ্রিমোর মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখছেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা। টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় বলেছিলেন, মাত্র এক মহিলাকে ভয় পেয়ে এত লোক! তিনি কি নিজের মধ্যে সাহস জোগানোর চেষ্টা করছেন? এযা সত্যি যে এবার তিনি একটু নার্ভাস, খিটখিটে হয়ে পড়েছেন। তাঁর মধ্যে ২০১৬ সালে সম্ভাব্য জয়ী হওয়ার যে আত্মবিশ্বাস দেখেছিলাম তা এখন দেখতে পাচ্ছি না।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.