নয়াদিল্লি : টাটা প্রজেক্ট তৈরি করবে নতুন সংসদ ভবন। ৮৬১.৯০ কোটি টাকার বরাতে এই সংসদ ভবন তৈরি করবে টাটা গ্রুপ। লারসেন অ্যান্ড টুবরোকে পিছনে ফেলে বরাত জিতে নিয়েছে টাটা। ৮৬৫ কোটি টাকার প্রস্তাব রেখেছিল টাটা। সেই প্রস্তাব মঞ্জুর করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় পূর্ত মন্ত্রক ফিনান্সিয়াল বিড রেখেছিল নতুন সংসদ ভবনের নির্মাণের জন্য। এক বছরের মধ্যে নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে খবর। একটা ত্রিভুজের আকারে তৈরি হবে নতুন সংসদ ভবন। ব্রিটিশ শাসন কালে বর্তমান ভবনটি তৈরি হয়েছিল। যেটি মূলত গোলাকার।

গত বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালেই স্পীকার ওম বিড়লা নতুন সংসদ ভবনের কথা উল্লেখ করেন। তবে তখন তিনি জানিয়ে ছিলেন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এই বিষয়ে। প্রাথমিক ভাবে এইকাজ এখনও শুধুমাত্র ভাবনা চিন্তার পর্যায়ে থাকলেও, এখন কাজ শেষ করতে উঠে পড়ে লেগেছে মোদী সরকার। উঠে আসছে নানা দিক। নরেন্দ্র মোদীর সাফল্যমণ্ডিত দ্বিতীয় দফায় তৈরি হয়েছে বেশ কিছু নজির। মোদীর ‘নতুন ভারতে’র অবিচ্ছেদ্য অংশ সংসদের বিস্তার ঘটানো ও আধুনিকীকরন। তাই এই নতুন সংসদ ভবন তৈরি করা হবে।

লোকসভার স্পিকার জানিয়ে ছিলেন, ‘নতুন একটা সংসদ ভবন দরকার বলে অনেকেরই মনে হচ্ছে। এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একাধিক দল তৈরি করা হয়েছে। তারা বিভিন্ন জনের থেকে পরামর্শ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।’ একই সঙ্গে বর্তমান সংসদ ভবনের আধুনীকিকরণ হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ওম বিড়লা বলেছিলেন, ‘বিশ্বের সব থেকে বড় গণতন্ত্রের সংসদ ভবন আকর্ষণীয় ও নজরকাড়া হওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তিতে নতুন ভারত গঠনের যে লক্ষ্যমাত্রা রেখেছেন, তাতে সংসদ ভবনেকে আরও বড় ও আধুনিক করার উদ্যোগকে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানাচ্ছি।’

উল্লেখ্য ২০২২ সালে দেশ স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্ণ করবে। তার আগেই নতুন সংসদ ভবনের কাজ শেষ করতে চাইছে কেন্দ্র। সেবছরই নতুন পার্লামেন্টেই অধিবেশন চালু করার ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে নতুন পার্লামেন্ট হাউসটি তৈরি হবে রাষ্ট্রপতি ভবনের কাছেই। একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে যে প্রয়োজনগুলি রয়েছে তা সবই থাকবে সেখানে।

ওম বিড়লা বলেন, এমনভাবে ভবনটি নির্মাণ করা হবে যাতে সেখানে আগামী আড়াইশো বছর সংসদ অধিবেশন চলতে পারে। বর্তমান সংসদ ভবনটি ১৯২৭ সালে তৈরি করা হয়। ৯২ বছর ধরে সেখানে কাজ চলছে। স্বাধীন ভারতের প্রথম অধিবেশন সেখানেই বসে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।