কলকাতা : দুর্গাপুজোর সময়ে নিজেদের সংস্থাকে তুলে ধরতে না চায় এম্ন সংস্থা পাওয়া কঠিন। একটা বিশাল মার্কেট জুড়ে থাকে এই সময়ে। এবারে অনেকক্ষেত্রে ভাটা থাকলেও সংস্থা নিজেদের বিজ্ঞাপনের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য সামনে রাখছে দুর্গার মুখ। চেষ্টা করেছে টাটা টি’ও। যদিও পুজোর সময়ে বাঙালি মুরগি মটন খোঁজে কিন্র্য ফাঁকে ফাঁকে চা’ও জমিয়ে দেয় আড্ডা।

দুর্গাপূজার আঙ্গিকে উৎসবের মেজাজে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি প্রান্ত মজা, খাবার এবং আনন্দ উদ্দীপনায় মেতে ওঠে। পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতির মূল কেন্দ্রে রয়েছে এই উৎসব, যা প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দেয় আনন্দধ্বনি আর শহরগুলিকে আনন্দ এবং একতার এক সুন্দর স্বপ্নের দেশে রূপান্তরিত করে। যাদুতে বাংলার আবেগকে জীবন্ত করে তোলা দুর্গাপূজা অন্য কোনও কার্নিভালের চেয়ে কোনও অংশে কম নয়, বরং তা এক জীবনের উৎসব যেখানে শিল্প সংস্কৃতি, বন্ধুত্ব, আন্তরিক উষ্ণতা এবং দেবীর প্রতি অবিচ্ছিন্ন একনিষ্ঠতা যা গর্বের সঙ্গে পালন করা হয়। এই উৎসবের আমেজ যা এই মহামারীর প্রকোপের মধ্যেও মিইয়ে যায়নি, সেই উৎসবকে সমৃদ্ধ করতে টাটা কনজিউমার প্রোডাক্টের মার্কি ব্র্যান্ড টাটা টি গোল্ড পশ্চিমবঙ্গের জন্য এক নতুন উৎসব সংস্করণ প্যাক নিয়ে এল।

প্যাকটির ডিজাইনের ভাষা হ’ল সময়ের সাথে উৎসবগুলির উদযাপন। এটি দুটি অত্যন্ত বিশিষ্ট শিল্প শৈলীর দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি ফিউশন আর্ট । পাটুয়া শৈলীর ব্রাশ স্ট্রোক এবং প্রাচীন পটচিত্র শিল্পের মিশ্রনে তৈরী এই ডিজাইন সূক্ষ্ম রেখার দ্বারা দৃশ্যমানভাবে পৃথক করা হয়েছে। এই উৎসবের অনন্য জটিল শোলার কাজ, শঙ্খের আওয়াজ , ধুনুচির সর্বব্যাপী সুগন্ধ এবং ঢাকিদের ঢাকের তাল ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চিত্রের মধ্যে যা এই উৎসবের প্রতি নিষ্ঠা ,অনুভূতি এবং প্রাণবন্ত উদ্দীপনা প্রকাশ করে । এটি সবার বাড়িতে উৎসবের আনন্দ নিয়ে আসবে এবং বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতি উদযাপন করার ও সুযোগ করে দেবে ।

এই প্রসঙ্গে টাটা কনজিউমার প্রোডাক্ট ভারতের প্যাকেজড বেভারেজ এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট – মার্কেটিং শ্রী পুনিত দাস বলেন “টাটা টি গোল্ড উৎসবের সাথে জড়িত ঐতিহ্যবাহী উপাদানগুলির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সময়ের সাথে এই উৎসব পালন করতে আশা রাখে । আমরা আমাদের নতুন উৎসব সংস্করণ প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে এটাই করার চেষ্টা করেছি যা উৎসবটির প্রতি আন্তরিকভাবে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে এবং একই সাথে রাজ্য ও এই অঞ্চলের প্রচলিত শিল্পকলা ও ঐতিহ্যকেও সম্মান প্রদর্শন করে। “

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।