মুম্বই: টাটা গোষ্ঠী এবার এয়ার ইন্ডিয়া কেনার ব্যাপারে নিলামে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তাবিত দাম চলতি মাসের শেষাশেষি জমা দেবে। এবার অধ্যাবসায় শুরু করেছে এবং নজর দিচ্ছে এই ব্যবসার কেমন অবস্থা এবং কতটা গ্রহণযোগ্য সেটা বুঝে নিতে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্রের এমনই প্রতিবেদন বের হয়েছে।

যদিও ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক স্তরে আলোচনা চলছে ফলে তহবিলের ব্যাপারে এবং ব্যবসার কাঠামো নিয়ে এত তাড়াতাড়ি কিছু বলা সম্ভব নয়।

তবে বিষয়টি নিয়ে কাজ এগোচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট টাটা সন্সের মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, টাটা সন্স বর্তমানে প্রস্তাবটির মূল্যায়ন করছে এবং বিষয়টি বিবেচনা করে ঠিক সময় মত নিলামে অংশ নেওয়া হবে।

এ ক্ষেত্রে আর্থিক দিক থেকে কোনও অংশীদার আনার পরিকল্পনা নেই। এই শিল্পগোষ্ঠীর দুটি বিমান সংস্থা অংশীদারিত্ব রয়েছে। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের সঙ্গে ভিস্তারা এবং টনি ফার্নান্ডেজের সঙ্গে এয়ার এশিয়া। বিভিন্ন মহলে ইতিমধ্যেই জল্পনা ছড়িয়েছে , কেনার পর এই শিল্প গোষ্ঠীর মালিকানাধীন এয়ার এশিয়া( টাটা দের ৫১ শতাংশ মালিকানা রয়েছে) এবং এয়ার ইন্ডিয়াকে সংযুক্তিকরণ করে দেওয়া হবে।

মুম্বইয়ের এক বিশিষ্ট আইনজীবী জানিয়েছেন, এয়ার ইন্ডিয়াকে কেনা একটি জটিল প্রস্তাব। এজন্য স্টেকহোল্ডারদের সমর্থন এবং সরকারি সহায়তা জনিত বেশকিছু আইনি বিষয় রয়েছে যা এক্ষেত্রে দেখতে হবে। যার ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় রকম প্রভাবই থাকছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ এয়ার ইন্ডিয়ার মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৫৮,৩৫১.৯৩ । সরকার রুগ্ন রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান পরিবহন সংস্থাটিকে বেঁচে দিতে চায়। অফার আকর্ষণীয় করতে ঋণের বোঝা কমানো হবে বলে জানিয়েছিল।‌এক্ষেত্রে যে কিনবে তার ঘাড়ে চাপবে ২৩,২৮৬.৫০ কোটি টাকা, বাকিটা ট্রানস্ফার করা হবে এয়ার ইন্ডিয়া অ্যাসেট হোল্ডিং লিমিটেডের কাছে – যা একটি স্পেশাল পারপাস ভেহিকেল।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও