নয়াদিল্লি: দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়তেই চাহিদা বেড়েছে অক্সিজেনের। দেশের নানা প্রান্ত থেকে অক্সিজেনের অভাবের কথা সামনে আসছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল অক্সিজেনের অপ্রতুলতাকে দাবি করে বারবার কেন্দ্রের সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। শুধু দিল্লি নয় মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটকের মত রাজ্যগুলো থেকে অক্সিজেনের অভাবের বিষয় সামনে এসেছে। এহেনপরিস্থিতিতে টাটা গোষ্ঠী ঘোষণা করেছে যে, দেশের অক্সিজেনের উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়াতে সরকারকে সমস্ত রকম সাহায্য করবে।

একটি টুইট বার্তায় মঙ্গলবার টাটা গোষ্ঠী লিখেছে যে কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইকে শক্তিশালী করতে যথাসাধ্য সাহায্য করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।টাটা গোষ্ঠী ঘোষণা জানিয়েছে যে, দেশে অক্সিজেনের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে তরল অক্সিজেন পরিবহনের জন্য ২৪ টি ক্রায়োজেনিক পাত্র আমদানি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টাটা গ্রুপের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। এটাও বলেছেন যে সকল ভারতবাসী একসঙ্গে করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করবে।

অপরদিকে মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড তার জামনগর তেল শোধনাগারে প্রতিদিন ৭০০ টন মেডিকেল অক্সিজেন উৎপাদন করছে। যা কোভিড -১৯ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ রাজ্যগুলিকে বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে।গুজরাটে রিলায়েন্সের জামনগর শোধনাগার প্রাথমিকভাবে ১০০ টন মেডিকেলঅক্সিজেন তৈরি করে। কিন্তু এখন তা ৭০০ টন পার করেছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মঙ্গলবার রাতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী জনগণকে বলেন যে, দেশব্যাপী লকডাউন করা হবে না। দেশকে লকডাউন থেকে বাঁচাতে হবে। তিনি রাজ্যগুলিকে লকডাউন এড়াতেও আবেদন করেন। অক্সিজেন উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়াতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে। এই ভাষণে তিনি সর্বস্তরের লোকেদের এগিয়ে আসতে বলেছেন এবং একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান করেছেন।

গত রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা রাজ্যের মুখ্যসচিবদের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তাঁরা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নির্দিষ্ট নয়টি শিল্প ছাড়া অন্যান্য শিল্পে যে অক্সিজেন ব্যবহার করা হয়, তা যেন করোনার রোগীদের জন্য ব্যবহারের বন্দোবস্ত করেন।২২ শে এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এই সিদ্ধান্তটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.