নয়াদিল্লি: দুটি নামী নুন প্রস্তুতকারক সংস্থার নুনেই মিলেছে পটাশিয়াম ফেরোসায়ানাইডের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক। একটি মার্কিন ল্যাবরেটরি তেমনই রিপোর্ট দিয়েছে বলে দাবি করেছেন, গোধাম গ্রেন অ্যাণ্ড এএমপির চেয়ারম্যান শিব শঙ্কর গুপ্ত।

খাদ্যে ব্যবহার করা হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল নুন৷ তা বাড়ি থেকে হোটেল সর্বত্রই ব্যবহার হয়৷ কিন্তু সেই নুনেই যদি মেলে পটাশিয়াম ফেরোসায়ানাইডের মতো মারাত্মক বিষ তাহলে সেটা যথেষ্ঠই দুশ্চিন্তার বিষয়৷‌

আমেরিকার ওই ল্যাবরেটারিটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় থেকে জানতে পেরেছে ভারতীয়রা যে নামী সংস্থার নুন খাদ্য হিসেহে গ্রহণ করে তাতে কার্সিনোজেন, পটাশিয়াম ফেরোসায়ানাইডের মতো একেবারে মারণ যৌগ রয়েছে। শিব শঙ্কর গুপ্তের বক্তব্য, ‌মার্কিন ওয়েস্ট অ্যানালিটিকাল ল্যাবরেটরিতে করা পরীক্ষায় ধরা পড়েছে ‘সম্বর রিফাইনড সল্ট’-এ প্রতি কেজিতে ৪.৭১ মিলিগ্রাম এবং ‘টাটা সল্ট’-এ প্রতি কেজিতে ১.৮৫ গ্রাম এবং ‘টাটা সল্ট লাইট’-এ প্রতি কেজিতে ১.৯০ গ্রাম করে পটাশিয়াম ফেরোসায়ানাইড রয়েছে।’’

এজন্য তিনি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন, ‌বিভিন্ন রাজ্যের সরকার এবং অসাধু নুন ব্যবসায়ীদের দিকেও। তাঁর বক্তব্য, এই সব নুনের বিজ্ঞাপনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এমন বিষাক্ত যৌগগুলিও বাজারে আসার ছাড়পত্রও পেয়ে যাচ্ছে। শুধু নুন নয়, কোনও খাবারেই এভাবে পটাশিয়াম ফেরোসায়ানাইড থাকা উচিত নয় বলেই তিনি জানান।

এদিকে টাটা সল্ট-এর প্রস্তুতকারক টাটা কেমিক্যালস দাবি করেছে তাদের তৈরি নুন ‘ক্ষতিকর নয় নিরাপদ’ ৷ তাছাড়া ওই সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আমেরিকা, ইউরোপ অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যালের মতো ভারতও এমন দেশ যেখানে নুনে পটাশিয়াম ফেরোয়াসানাইড দেওয়া অনুমোদন করেছে৷ ফুড সেফটি অ্যান্ড স্যান্ডার্ড অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া ১০মিলিগ্রাম প্রতি কেজিতে পটাশিয়াম ফেরোয়াসানাইড দেওয়া অনুমোদন করে৷